জান্নাত চায় না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর জান্নাতের অবস্থান যদি হয় কোনো ফোয়ারা সংলগ্ন; তবে তো কথাই নেই। আল্লাহ তাআলা জাকাত আদায়কারী ব্যক্তিদের জন্য এমনই ঘোষণা দিয়েছেন
বিশ্বের এমন অনেক দেশ আছে যেসব দেশের কিছু কিছু অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে সূর্য ডোবে না। এমন দেশ ও অঞ্চলের মুসলিমরাও দিনের আলোতেই রোজা পালন করে থাকেন। কিন্তু কীভাবে তারা রোজা
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবারও বিদেশিদের হজে যাওয়া বন্ধ রাখার বিষয়ে ভাবছে সৌদি আরব। সারাবিশ্বে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ায় এবং করোনায় নতুন অনেক ভেরিয়েন্ট আসায় দেশটি এ সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে
আজ ১৫ রমজান। ইহকাল এবং পরকালের কল্যাণের মাস রমজান। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত নবীয়ে আকরাম (সা.) ঘোষণা করেন, রমজান শরিফ আল্লাহপাকের মাস (অর্থাৎ রমজান মাসের রোজা আল্লাহ পাক ফরজ
নামাজ ইসলাম ধর্মের প্রধান ইবাদত। প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত (নির্দিষ্ট নামাযের নির্দিষ্ট সময়) নামাজ পড়া প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক বা ফরয। নামায ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। শাহাদাহ্ বা বিশ্বাসের পর নামাযই ইসলামের
মাহে রমজানের রোজা আমরা সবাই ঠিকই পালন করে যাচ্ছি। কিন্তু করোনা কালীন রমজানে নেই কোনো আনন্দ-উচ্ছ্বাস, আমেজ। সবাই যেনো হতাশা, বিষাদ, শোক এবং অবসন্নতার অতল গহ্বরে নিমজ্জিত। মানবজাতি একটু স্বস্তি
রমজান মাস বিশেষভাবে ইবাদত–বন্দেগি করার মাস। বছরজুড়ে সৎ ও সংযমী জীবনযাপনের প্রশিক্ষণের মাস এটি। স্বাভাবিক অবস্থায় হালাল, এমন কয়েকটি জিনিস মুসলমানদের জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত করা এ মাসে হারাম।
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘হে ইমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হলো, যেভাবে তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর ফরজ ছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত :
ইসলামের পাঁচস্তম্ভের মাঝে জাকাত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। ঈমানের পর সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য ইবাদত হলো নামাজ ও জাকাত। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনের অনেক নামাজ ও জাকাতের আদেশ দিয়েছে। আল্লাহর অনুগত
মানবতার মুক্তির দূত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন গণমানুষের ত্রাণকর্তা। সমাজের সব স্তরের মানুষের অধিকার-মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তিনি প্রায়োগিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ইসলামপূর্ব আরবে দাস, গৃহকর্মী, সেবক শ্রেণির কোনো অধিকারই ছিল না। তাদের