করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী শিল্প ও উৎপাদন খাত যে ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে, তা থেকে উদ্ধার করতে পারে শ্রমজীবী মানুষ ও মালিকপক্ষের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক। মালিকপক্ষ যদি এই দুর্দিনে মুনাফার দিকে না তাকিয়ে
রমজানুল মোবারকের ১৭ তম দিন আজ। প্রায় দেড় হাজার বছর আগে হিজরি দ্বিতীয় সনের এই দিনে মদিনা থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ঐতিহাসিক বদর প্রান্তরে সংঘটিত হয়েছিল বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীদের
আজ ১৪৪২ হিজরির অষ্টদশ রমজানুল মোবারক। নফসের কামনা-বাসনাকে নিয়ন্ত্রিত করে ‘রোজা’। তাই আত্মসংযম প্রদর্শনের মাস রমজান। নবি করিম (সা.) বলেন, এটা ধৈর্যধারণ ও আত্মসংযমের মাস। প্রতিফল নিশ্চিতভাবে জান্নাত। যে ব্যক্তি
হজে গমনেচ্ছুদের পরবর্তী কোনো নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত চলতি বছর হজের বিষয়ে কোনো আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সতর্ক করেছে সরকার।এবছর পবিত্র হজ পালনে হজ গমনেচ্ছুদের অন্তর্ভুক্ত করবেন’ বলে একটি
হেদায়েত পাওয়ার মাস রমজান। এ মাসে আল্লাহ তাআলার রহমত ও হেদায়েতস্বরূপ নাজিল করা হয়েছে কুরআন। যাতে রয়েছে মানুষের সব সমস্যার সমাধান। আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে উপায়। রমজানের আজকের দিনে কুরআনের হেদায়েত ও
প্রাণঘাতী বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের এ সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রেজিস্ট্রেশন ও ভাইরাসমুক্ত হওয়া নিশ্চিত সাপেক্ষে জুমআয় অংশ নিতে পারবে মুসল্লিরা। আজও পবিত্র দুই মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে জুমআ। রমজানে নামাজ এবং
সুস্থ বিবেকবান প্রাপ্ত বয়সের সব মুসলমানের উপর জুমআর নামাজ পড়া ফরজ। যদি জুমআর ছেড়ে দেয়ার মতো কোনো কারণ না থাকে। কেননা জুমআর নামাজ পড়ার নির্দেশ এভাবে দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা-
পবিত্র রমজান আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিনের জন্য বিশেষ উপহার। এ মাসে আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের দুয়ার খুলে দেন এবং প্রতিটি নেক কাজের প্রতিদান বৃদ্ধি করেন। রমজানের
কোরআন এক অলৌকিক গ্রন্থ, যা মানবজাতির পথনির্দেশক হিসেবে প্রেরিত হয়েছে। কোরআন আল্লাহর বাণী, যা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ হয়ে গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ আছে এবং রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে সন্দেহাতীতভাবে ক্রমান্বয়ে ধারাবাহিকভাবে বর্ণিত
মাগফেরাতের দশকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার পাশাপাশি নেককার লোকদের মতো হালাল ও উত্তম রিজিক এবং আশ্রয় পাওয়া দোয়া করবে মুমিন রোজাদার। এ দশকে বান্দাকে আল্লাহ ক্ষমা করবেন এবং তার সব