জুমআর নামাজের জন্য তাড়াতাড়ি মসজিদের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করাই এ দিনের প্রধান কাজ। এ দিন ক্ষমা মর্যাদা পাওয়ার সহজ আমল ঘোষণা করেছেন বিশ্বনবি। জুমআর দিনের মর্যাদাপূর্ণ এ আমলগুলো কী? আজানের
মানুষের চিন্তাশক্তি ও কর্মশক্তি আল্লাহর অনেক বড় অনুগ্রহ। এই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায় করা তার দায়িত্ব। কৃতজ্ঞতার প্রথম ও বড় দিক হচ্ছে অনুগ্রহ যে এটি আল্লাহর দান—এই বিশ্বাস রাখা। পবিত্র কোরআনে
ঈমান শুধু বিশ্বাসের নাম নয়; বরং বিশ্বাস ও কর্মের সমষ্টি। ঈমানের ওপর অটল ও অবিচল থাকা ব্যক্তিদের ওপর সর্বদা আল্লাহর রহমত অবতীর্ণ হয়। কুরআনে এসেছেÑ ‘নিশ্চয় যারা বলে আমাদের পালনকর্তা
জান্নাতে যাওয়ার কামনা-বাসনা কার না আছে? তা আবার বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজ হাতে ধরে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। মুমিনের জন্য এরচেয়ে বড় সৌভাগ্য আর কী হতে পারে? কী এমন
এক. আপনি যা যা করছেন সব; আপনার ব্যথা, আপনার সংগ্রাম সবসময় শক্তি হতে হবে। হ্যাঁ, সন্দেহাতীতভাবে। এগুলো এলোমেলো ঘটনা নয়, সর্বশক্তিমান সাবধানতার সাথে এসব পরিকল্পনা করেছেন। তিনি সেরা পরিকল্পনাকারী। এসবের
একজন মুসলমানের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের প্রধান লক্ষ্য মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। আমল ও ইবাদতের সওয়াব এর ওপর নির্ভরশীল। অন্য অর্থে এটাকে বলা হয় ইখলাস। একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে ইবাদত
জান্নাত মুমিনের শেষ ঠিকানা। সুনির্দিষ্ট কিছু নীতিমালার আলোকেই এ ঠিকানার মালিক হবেন মুমিন। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের একাধিক স্থানে এ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন। মুমিন বান্দার জন্য সে ঘোষণাগুলো কী?
মানুষের যে অঙ্গ শরীর থেকে স্বাভাবিকভাবেই আলাদা করা হয়েছে, যেমন চুল ও নখ তার বেচাকেনা কি বৈধ? ইসলাম ওয়েব.নেট-এর এক ফতোওয়ায় এ প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, আলহামদু লিল্লাহ, ওয়াস সালাতু
অন্যসব আবেগের মতোই রাগও মানুষের একটি সহজাত প্রবৃত্তি। কেউ খুব দ্রুত রেগে যায়, আবার দ্রুতই তার রাগ চলে যায়। কেউ আবার দেরিতে রেগে খুব দ্রুত তার রাগ কেটে যায়। কেউ
ধর্ষণ ধর্ম, জাতি, সমাজ, রাষ্ট্র সব অঙ্গনে নিষিদ্ধ এবং চরম নিন্দনীয়। তবু কেন বারবার ধর্ষণই শিরোনাম হচ্ছে। অবস্থা পরিবর্তনে কী করছি আমরা? নাকি কার্যকর কোনো উপায় না খুঁজে শুধু হইচই