উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মানুষের অনুভূতি জাগ্রত হওয়া। এটা বুঝতে শেখা যে তার কি প্রয়োজন? এবং তা পূরণে তার করণীয় কি? অনুভব ও অনুভূতি অনেক বড় বিষয়। এর
কল্যাণের দিকে আহ্বানকারীর প্রতিদান কী? ভালো উপদেশ দেয়া ব্যক্তির প্রাপ্যই বা কী? কাউকে ভালো কাজের দিকে ডাকলে কিংবা উপদেশ দিলে কি কোনো অতিরক্তি সাওয়াব হবে? এ সম্পর্কে ইসলামের দিকনির্দেশনাই বা
ইসলাম এমন একটি সর্বজনীন জীবনব্যবস্থা, যার প্রতিটি আদেশ ও নিষেধে মানবজাতির ইহকালীন ও পরকালীন কোনো না কোনো কল্যাণ নিহিত রয়েছে। ইসলামের আদেশসূচক প্রতিটি বিধান পালনে সওয়াব রয়েছে এবং নিষেধ সূচক
সুস্থতা এবং অসুস্থতা আল্লাহর নিয়ামত। আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে কোনো প্রাণী অসুস্থ হতে পারে না। আল্লাহ যাকে পছন্দ করেন তাকে কষ্ট দেন, রোগ দেন। নবী, সাহাবি, বুজুর্গ ও আল্লাহর পছন্দনীয় অনেক
অনেক সময় রাস্তা-ঘাট, ঘরে-বাইরে, যানবাহন কিংবা চলার পথে টাকা-পয়সা বা মূল্যবান ধন-সম্পদ পাওয়া যায়। কুড়িয়ে পাওয়া এসব টাকা-পয়সা বা ধন-সম্পদ কি মসজিদে দান করা যাবে? নাকি অন্য কোথাও দান করতে
আল্লাহর আনুগত্যের সর্বোত্তম নিদর্শন নামাজ। ঈমান আনার পর, সে যে ঈমানের দাবিতে সত্যবাদী তার প্রমাণ নামাজ। নামাজই একজন মুসলিম ও কাফিরের মাঝে পার্থক্য তৈরি করে। হাদিসে নামাজকে বেহেশতের চাবি বলা
উচ্চারণ : ‘তুবলি ওয়া ইউখলিফুল্লাহু তাআলা।’ অর্থ : ‘এ কাপড় যেন তোমার দ্বারা পুরাতন হয় এবং মহান আল্লাহ যেন এর পরে তোমায় আরো কাপড় পরান। উপকার : আবু নাদরাহ (রহ.)
পারস্পরিক সাহায্যে পূর্ণ হয়ে ওঠে মানুষের সামাজিক জীবন। সুখে-দুঃখে একে অন্যের পাশে দাঁড়ায় বন্ধু হয়ে। অভাবে ঋণ আদান-প্রদান করে একে অন্যের সঙ্গে। ঋণ করার পর তা দ্রুত পরিশোধ করা জরুরি।
মুসলমানরা একই মায়ের সন্তানের মতো হয়ে যায়। তাদের মধ্যে থাকে না হিংসা-বিদ্বেষ। তারা হয়ে যায় একে অন্যের জন্য রহমত স্বরূপ। যে বৈশিষ্ট্যাবলি গঠিত হয়েছিল মহানবী সা:-এর সাহাবায়ে কিরামের মধ্যে। আল্লাহ
ঘটনাটি পবিত্র রমজানের শেষ দশকের। রহমতের আশা আর মাগফিরাতের প্রত্যাশার মধ্য দিয়ে রমজানের দুই দশক এরই মধ্যে অতীত হয়ে গেছে। নাজাতের দশক মুক্তির দশক। মুক্তিলাভের একবুক আশা নিয়ে মহান আল্লাহর