দুনিয়ায় কেউ অন্যায় করলে রাষ্ট্রীয় সাজা হিসেবে জেল-জরিমানা হয়ে থাকে। সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি বিবাহিত পুরুষ হয় তবে স্ত্রীর অধিকার রক্ষা আবার বন্দি যদি নারী হয় তবে পুরুষের অধিকার কী হবে?
ইসলামের দৃষ্টিতে মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা নিন্দনীয়। ষড়যন্ত্রকারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। মহান আল্লাহ বলেন, ‘কুচক্রের শাস্তি কারো ওপর পতিত হয় না, কুচক্রীর ওপরই পতিত হয়।’ (সুরা ফাতির, আয়াত :
আল কোরআনের আলোকে অশ্লীলতা হচ্ছে, অন্যের মন্দ কথা প্রকাশ করা, অনর্থক বিষয়ে কথা বলা, এমন অপবাদ ছড়ানো যে বিষয়ে নিজেদের জ্ঞান নেই, চারজন লোকের চাক্ষুষ সাক্ষী ব্যাতিত জেনার অপবাদ দেয়া,
আল্লাহ মুসলমানদেরকে শ্রেষ্ঠ জাতির আসনে স্থান দিয়েছেন। কিন্তু এর পরও মুসলিম হয়ে আমরা কতটুকু এর মান বা মর্যাদা রক্ষা করতে পারছি। আবার কেউ কেউ আছেন নামমাত্রই মুসলমান হয়ে আছেন। কতটুকু
নামাজের জামাআতে প্রথম থেকে শরিক হতে না পারলে মুসল্লিরা কী করবেন? জামাআতে অংশগ্রহণ সম্পর্কিত ইসলামের পরিভাষা ও দিকনির্দেশনাই বা কী? নামাজের জামাআতে সম্পৃক্ত হওয়ার দিক থেকে মুসল্লিদের তিন ধরনের পরিচয়
যার সদকা করার সামর্থ্য নেই আবু মুসা আশআরি (রা.) সূত্রে নবী (সা.) বলেন, প্রতিটি মুসলিমের সদকা করা উচিত। সাহাবিরা জিজ্ঞাসা করলেন, কেউ যদি সদকা দেওয়ার মতো কিছু না পায়? (তিনি
মানুষ সামাজিক প্রাণী, মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন কিছু দায়িত্ব পালনে। আমাদের জীবন এবং বেড়ে ওঠা একাকী সম্ভব নয়। সঙ্ঘবদ্ধভাবে সমাজে বসবাস করাই আমাদের মৌলিক বৈশিষ্ট্য। আর এই বাস
জান্নাত মুমিনের সেরা প্রাপ্তি। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনটি গুণের অধিকারী ব্যক্তির জন্য আল্লাহর রহমতের জান্নাত প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তাদের হিসাবও হবে সহজ। হাদিসে পাকে এসেছে- রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
ধন-সম্পদ মহান আল্লাহর নিয়ামত। ধন-সম্পদ থাকলে মহান আল্লাহর আর্থিক ইবাদতগুলো সহজে করা যায়। সঠিক পথে ধন-সম্পদ অর্জন ও ব্যয় করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায়। ধন-সম্পদ থাকলেই যে
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিনে শূকরের চর্বির উপাদান ব্যবহার করার কারণে ইউরোপ-আমেরিকার মুসলমানরা এ ভ্যাকসিন নিতে অনীহা প্রকাশ করছেন। করোনার ভ্যাকসিন হালাল না হারাম এ সম্পর্কে কুরআন-সুন্নাহ কী