মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সৃষ্টি করেছেন। আমাদের দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন তাঁর ইবাদত করার জন্য। কিন্তু দুনিয়াতে তিনি আমাদের একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পাঠিয়েছেন। রুহের জগৎ থেকে দুনিয়ার জগতে আনতে মাধ্যমে বানিয়েছেন
তাকওয়া অর্থ খোদাভীতি। মহান আল্লাহ তায়ালার ভয়ে শরিয়ত নির্দেশিত বিধানানুযায়ী জীবনযাপন করা। ইসলামের নিষেধাজ্ঞা অমান্য না করা। যাপিত জীবনের প্রতিটি ক্ষণ, শাখা ও কার্যক্রমে ইসলামী বিধি-বিধান মান্য করা। সর্বপ্রকার গোনাহ
প্রকৃত মুমিন সে-ই, যে আল্লাহর একত্ববাদ, নবী (সা.)-এর রিসালাত এবং তাঁর প্রবর্তিত সব বিশ্বাস ও বিধানের ওপর দ্বিধাহীন বিশ্বাস স্থাপন করে। কেননা সে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল
জীবনে সফল হতে চায় না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না। বরং প্রত্যকে মানুষই চায় সফল হতে। সফলতার সোনালি সোপানে আরোহণ করতে। নিজের কৃতিত্বকে জানান দিতে। তবু জীবন চলার পথে
কোরআন ছাড়া একজন মুসলমানের জীবন কল্পনা করা যায় না। কোরআন তিলাওয়াতকারী প্রতি অক্ষরে ১০ নেকি পায়। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব থেকে একটি
মহান আল্লাহ তাআলা মানুষ ও জিন জাতিকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য। মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর বিধানের আনুগত্য এবং তা মানবসমাজে বাস্তবায়নের জন্য। সুতরাং মানুষ প্রধানত আল্লাহর আনুগত্য
উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খইরাল মাউলিজি, ওয়া খইরাল মাখরাজি, বিসমিল্লাহি ওয়ালাজনা, ওয়া বিসমিল্লাহি খরাজনা, ওয়া আলাল্লাহি রব্বিনা তাওয়াক্কালনা। অর্থ : হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আগমন ও প্রস্থানের কল্যাণ
আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের মহা অনুগ্রহে মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন। দুনিয়াতে নবরূপে সৃষ্টি, দেহে প্রাণসঞ্চার, প্রজন্মের পর প্রজন্ম বিশ্বময় মানবজাতির বিস্তৃতি কেবলমাত্র তাঁরই কৃপা ও অনুগ্রহমাত্র। তিনি মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁর
বিশ্বের প্রতিটি মানুষের আশা-আকাঙ্খা মূলত একটিই আর তা হল শান্তি অর্থাৎ শান্তিতে বসবাস করা। শান্তির এই অভিযাত্রা এক ব্যক্তি সত্তা থেকেই শুরু হয়। এর বীজ মূলত প্রথমে মানুষের হৃদয়ে বপন
প্রশ্ন : মৃত ব্যক্তিকে গোসল দিয়ে টাকা নেওয়া কি জায়েজ? উত্তর : মৃত ব্যক্তিকে গোসল দেওয়া, তার দাফন-কাফন ও জানাজা পড়া মুসলমান হিসেবে অপর মুসলিম ভাইয়ের ঈমানি দায়িত্ব ও বড়ই