মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা:-এর প্রতি ভালোবাসা একজন ঈমানদারের ঈমান তথা বিশ্বাস এবং অন্তরের দৃঢ় প্রত্যয়ের পরিমাপক। আমাদের ঈমান শুধু তখনই স¤পূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ হবে যখন নবীর প্রতি আমাদের ভালোবাসা এ
মিথ্যা সাক্ষ্য মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নষ্ট করে। তাই ইসলাম মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়াকে গুরুতর পাপ হিসেবে ঘোষণা করছে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তারা মিথ্যা ও বাতিল কাজে যোগদান করে না।’
বর্তমান সমাজে ব্যবসাবাণিজ্য ও জীবন পরিচালনা করতে গেলে একটি অনস্বীকার্য বাস্তবতা হচ্ছে ঋণ (বিনিয়োগ) আদান-প্রদান করা। পবিত্র কুরআন-হাদিসে একদিকে ঋণ প্রদানকে উৎসাহিত করা হয়েছে, অপরদিকে ঋণ পরিশোধের ব্যাপারে যথেষ্ট গুরুত্বারোপ
আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন। তাদের সম্মানিত করেছেন ওহির জ্ঞান ও জীবন-বিধান দিয়ে। সেই ওহির জ্ঞান ও বিধি-বিধান মানবজাতির কাছে পৌঁছানোর জন্য তিনি প্রেরণ করেছেন যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসুল। তাঁরা
বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, তিন তালাকের পরই স্বামী-স্ত্রী উভয়েই নানা রকম হিলা নামের বাহানার আশ্রয় নেওয়া শুরু করেন, যা যেমন অশালীন, তেমনি শরিয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ ও লানতযোগ্য কাজ। রাসুলুল্লাহ
অন্যের ভালো দেখে সহ্য করতে না পারা, অন্যের ভালো দেখে নিজের মধ্যে কষ্ট অনুভব করা, অন্যের ভালো বিষয়টি ধ্বংসের জন্য প্রচেষ্টা শুরু করে দেওয়াকে হিংসা বলে। ইবনে তাইমিয়া (রহ.) তাঁর
পৃথিবীতে সুখে থাকার জন্য পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যার অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সুসম্পর্ক। হালাল পন্থায় তাদের আনন্দ দেওয়া। রাসুল (সা.) পরিবারের সদস্যদের যেমন নতুন নতুন
ইসলামী বর্ষপঞ্জির তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল মানবজাতির জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। মানবসমাজের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণের লক্ষ্যে পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসে মহান আল্লাহ তায়ালা শান্তির বাণীবাহক ও দূতরূপে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সা:কে দুনিয়ায় পাঠিয়েছিলেন।
ব্যবস্থাপনা বা উন্নয়ন অনেক পুরনো বিষয়। সভ্যতার ঊষালগ্ন থেকে ব্যবস্থাপনার শুরু। আদিকালে খাদ্য জোগাড়ের সামষ্টিক প্রচেষ্টা থেকে মূলত ব্যবস্থাপনার সূচনা। কালের পরিক্রমায় ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিষয়ে নানা বিবর্তন এসেছে। ব্যবস্থাপনা এখন
অনেকের অভিযোগ, আয়-রোজগার ভালো হওয়া সত্ত্বেও অভাব দূর হয় না। অথচ তারা জানে না যে সম্পদ অধিকারীদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণেও সম্পদের বরকত দূরীভূত হয়ে যায়। নিম্নে জীবিকা থেকে বরকত দূরীভূত