মানুষ মাত্রই মরণশীল। প্রতিদিন পৃথিবীতে যেমন বহু মানুষের আগমন ঘটছে, তেমনি প্রতিদিন পৃথিবী থেকে বহু মানুষ বিদায়ও নিচ্ছে। যাদের অনেকেই নিজ নিজ জীবনে নিজস্ব কর্মগুণ আর যোগ্যতাবলে হয়েছেন সমাজ, দেশ
ইসলাম এমন ধর্ম নয় যেখানে বিধর্মীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেই। বরং অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মে তাদের নিরাপত্তার এরূপ ব্যবস্থা নেই, যেমন সুষ্ঠু ব্যবস্থা রয়েছে ইসলামে। কোনো মুসলমান যদি কোনো হিন্দু, ইহুদি, নাসারা
ফেরেশতা ও কিতাবের প্রতি ঈমানের অপরিহার্য দাবি হয়ে যায় নবুয়ত বা রিসালাতের প্রতি ঈমান আনা। পৃথিবীতে মানুষ আল্লাহর বড়ই প্রিয় সৃষ্টি। বহুমুখী দায়িত্ব ও কর্তব্য দেয়া হয়েছে মানুষের ওপর। কেননা
আলেমদের ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত অভিমত হলোÑ ইসলামের দৃষ্টিতে মূর্তি তৈরি করা এবং তার বেচাকেনা হারাম। এমনকি কোনো অমুসলিমের কাছে বিক্রি করার জন্য মূর্তি তৈরি করাও হারাম। এ ব্যাপারে কারো কোনো দ্বিমত
শয়তান মানবজাতির শত্রু। মানবতার শত্রু। মানব সৃষ্টির পর থেকেই সে মানুষের অনিষ্ট করে আসছে। সে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছে কিয়ামত পর্যন্ত আদমসন্তানকে পথভ্রষ্ট করার। পবিত্র কোরআনে তার সেই বক্তব্য উদ্ধৃত হয়েছে।
আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো বিচারক যখন বিচার করে এবং বিচারকাজে (সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে) যথাযথ প্রচেষ্টা চালায় আর তার রায় সঠিক হয়, তবে তার জন্য
ইমাম আহমদ (রহ.)-কে কর্তিত চুলের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘দাফন করে ফেলো। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) এগুলো দাফন করে ফেলতেন।’ (আল মুগনি, ইবনে কুদামা : ১/১১০) চুল মহান
ইসলামের দৃষ্টিতে মানব জাতির সবাই প্রথম মানব ও মানবী হজরত আদম ও হাওয়া (আ.)-এর উত্তরসূরি। এ অর্থে এক মানুষ অন্য মানুষের আত্মীয়। সার্বিক বিবেচনায় আত্মার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মীয় বলা
ফেরেশতা ও কিতাবের প্রতি ঈমানের অপরিহার্য দাবি হয়ে যায় নবুয়ত বা রিসালাতের প্রতি ঈমান আনা। পৃথিবীতে মানুষ আল্লাহর বড়ই প্রিয় সৃষ্টি। বহুমুখী দায়িত্ব ও কর্তব্য দেয়া হয়েছে মানুষের ওপর। কেননা
মহাগ্রন্থ ঐশীবাণী পবিত্র আল-কোরআন। মানব জীবনের নিখুঁত সমাধান বর্ণিত হয়েছে যার নির্ভুল আয়াতের বর্ণিল প্রকাশশৈলীতে। আসমানী এ মহাগ্রন্থের সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহতায়ালা। আর হাফেজে কুরআনরা পৃথিবীর বুকে এ কিতাব