মুমিন বিশ্বাস করে তার ইহকালীন ও পরকালীন জীবনের শান্তি, স্থিতি, সাফল্য ও মুক্তি নির্ভর করে আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহের ওপর। তার সব ইবাদত ও আরাধনার উদ্দেশ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি, দয়া ও
গুনাহ : রিজিকে বরকত আসার জন্য আল্লাহর ওপর ঈমান ও তাকওয়া অবলম্বন অত্যন্ত জরুরি। যে বান্দা এই দুটি জিনিস অর্জন করতে পারবে না, তার রিজিকে সংকীর্ণতা নেমে আসবে। পবিত্র কোরআনে
সুন্নাত মানে আদর্শ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান আদর্শই সুন্নাত নামে পরিচিত। তিনি সর্বকালের সব মানুষের সর্বোত্তম আদর্শ। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘অবশ্যই আপনি মহান চরিত্রে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অধিষ্ঠিত।’ (সুরা-৬৮ কলম,
কুরআন ব্যবহার করেছে একটি আশ্চর্যজনক সংক্ষিপ্ত শব্দভাণ্ডার, যা সহজে মুখস্থ করতে সাহায্য করে। একই সাথে, এই সংক্ষিপ্ত শব্দভাণ্ডার বর্ণিল সমৃদ্ধ এবং জটিল অর্থ প্রদান করে। ভিন্ন ভিন্ন ভাষালঙ্কার ব্যবহার করা
যেকোনো আদর্শ ও বিশ্বাস প্রথমে ধারণ করতে হয়, এরপর সেটি মনেপ্রাণে লালন করতে হয়। কেউ নিজের আদর্শ ও বিশ্বাসবিরোধী কোনো কাজ করলে তাকে ওই আদর্শচ্যুত ও অবিশ্বাসী হিসেবে বিবেচনা করা
মহান আল্লাহ মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন। একেকজনকে একেক রঙে একেক ভাষায়। কেউ আরবি কেউ অনারবি। কেউ নরম প্রকৃতির আবার কেউ স্বভাবগত একটু গরম। তিনি সব প্রকৃতির মানুষ দিয়ে এ ভুবন সাজিয়েছেন।
ফরাসি লেখক গোস্তাফ লুবন বলেন, ‘আমরা এখানে যে আয়াতগুলো কিছুক্ষণ আগে উল্লেখ করেছি তাতে আমরা দেখেছি যে, মুহাম্মদ সা: ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের প্রতি বেশ সহনশীলতা দেখিয়েছিলেন। তার পূর্বের ধর্মগুলোর প্রতিষ্ঠাতারা
ইসলাম নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সব মুসলমানের ওপর জ্ঞানার্জন আবশ্যক করেছে। পুরুষদের যেভাবে জ্ঞানার্জন এবং এর প্রচার-প্রসারের প্রতি উৎসাহিত করেছে, সেভাবে নারীদেরও উৎসাহিত করেছে। মহান আল্লাহ মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য বর্ণনা করে বলেন,
অর্থনৈতিক লেনদেনে সুদ বর্জন করা অপরিহার্য। মহান আল্লাহ সুদকে হারাম ঘোষণা করেছেন এবং ব্যবসায়কে বৈধ করেছেন। সুরা আল-বাকারার ২৭৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন : ‘অথচ আল্লাহ বেচাকেনাকে বৈধ করেছেন এবং
ফতোয়া বা ফাতওয়া শাশ্বত ইসলামের স্বতঃসিদ্ধ বিষয়। ইসলাম ও ফতোয়া অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ফতোয়াবিহীন মুসলমানদের প্রাত্যহিক জীবন কল্পনাও করা যায় না। প্রখ্যাত অভিধানবিদ রাগেব ইসফাহানি (রহ.) লিখেছেন, ‘সর্বসাধারণের জন্য ইসলামী শরিয়তের