মুসলমানের স্বভাব-চরিত্রের গঠন যথাযথ হয় যখন তা কোরআন ও হাদিসের আলো লাভ করে। এ শিক্ষা সম্পর্কে মুসলিমরা যত বেশি সজাগ ও সচেতন হবে, তাদের জন্য স্বভাব-চরিত্রের বিশুদ্ধতা অর্জন করা তত
আঁধারময় পৃথিবীতে অনাচারের প্রাদুর্ভাব বেড়েই চলেছে দিন দিন। স্বজনপ্রীতির উত্তাল তরঙ্গে তলিয়ে গেছে ইনসাফের কিসতি। সমাজের পরতে পরতে শান্তির স্নিগ্ধ বাতাস প্রবাহিত করতে নবীজী সা:-এর দিকনির্দেশনার বিকল্প কিছু নেই। তাঁর
মহান আল্লাহর সৃষ্টির সেরা হল মানুষ। মানুষকে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন নারী ও পুরুষ রূপে। হিজড়া হল মনোদৈহিক বৈকল্য বা শরীরবৃত্তীয় ও মনোজাগতিক বিকাশের অপূর্ণতা। এটি হরমোনঘটিত একটি সমস্যা। শরীরের যে
ইসলাম অপব্যয় ও অপচয় নিষিদ্ধ করেছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা অপচয়কারীকে শয়তানের ভাই বলে ঘোষণা করেছেন। অপচয় ও অপব্যয়ের কারণে মানুষের জীবন থেকে বরকতও হ্রাস পায়। এর ফলে মানুষের ধন-সম্পদ
(গত সংখ্যার পর) খাদিজা ছিলেন মহানবী সা:-এর প্রধান সহায়ক এবং তিনি তাঁকে সান্ত¡না ও উৎসাহ দেন। যা হোক, খাওলা রাসূলের কাছে যান এই প্রস্তাব নিয়ে যে তার একজন নতুন স্ত্রী
কোরআন এসেছে বিশ্ব মানবতার হিদায়াতের উদ্দেশ্যে। কোরআন মুসলমানের জীবন-সংবিধান। কোরআন তিলাওয়াত, অর্থ অনুধাবন ও পাঠদান সবই ইবাদত। কিন্তু ধীরে ধীরে কোরআন শেখার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। পৃথিবীর কোনো দেশ শিশুদের নিয়মিতভাবে
সব মানুষ নবীজি (সা.)-এর কাছে ঋণী। চাই সে মুসলিম হোক বা অমুসলিম। তিনিই উম্মতকে নিঃস্বার্থ ভালোবেসেছেন। বিশ্বকে মানবতা শিখিয়েছেন। বর্বরতার যুগ সোনালি যুগে পরিণত করেছেন। ঘোর ইসলামবিরোধীও তাঁর কাছে ইনসাফ
ধর্মে-বর্ণে বৈচিত্র্য থাকলেও সৃষ্টিগতভাবে সব মানুষই এক। সবাইকে মহান আল্লাহ আদম (আ.) ও হাওয়া (আ.) থেকে সৃষ্টি করেছেন। সর্বোপরি তিনি মানুষকে সম্মানিত করেছেন এবং সব সৃষ্টির মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে সমাসীন
সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ব্যক্তি যা গ্রহণ করেছে তা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত দায় থেকে যাবে।’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৩৫৬১) আলোচ্য হাদিসে মহানবী
আল্লাহর রাসূল সা: বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লøাহ সুন্দর। আর তিনি সৌন্দর্যকে পছন্দ করেন।’ (মুসলিম শরিফ, হাদিস নং-৯১) মানুষের সৌন্দর্য, রুচিবোধ ও ব্যক্তিত্ব যার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি প্রকাশ পায় তা হলো পোশাক।