মাথার ওপর বিস্তৃত ওই যে নীল শামিয়ানা, নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রেখেছে এ নিখিল ধরণিকে, তার নাম আকাশ। মহান আল্লাহতায়ালার অজস্র সৃষ্টির মধ্যে এ এক রহস্যময় সৃষ্টি। আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকার মুগ্ধতাই
বিয়ের মধ্য দিয়ে দু’জন নর ও নারী যে জীবন শুরু করে তারই নাম দাম্পত্য জীবন। ইসলাম ফিতরাতের ধর্ম। মানুষের স্বভাব-প্রকৃতি যা দাবি করে ইসলাম মূলত তাই। এ জন্য ইসলামকে বলা
আয়েশা (রা.) নবুয়তের চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ষে জন্মগ্রহণ করেন। মূল নাম আয়েশা। উপনাম উম্মে আবদুল্লাহ। উপাধি সিদ্দিকা ও হুমায়রা। অত্যধিক সুন্দরী হওয়ায় তাঁকে হুমায়রা বলা হতো। পরবর্তী সময়ে নবী করিম
সমাজে কিছু মানুষ আছে যারা কথা দিয়ে কথা রাখে না। ঋণ নিয়ে সময় মতো সেই ঋণ ফেরত দেয় না। গড়িমসি ও টালবাহানা করে। বারবার সময় ও সুযোগ তালাশ করে। মনে
সুবিধাবাদী, মতলববাজরা সব সময় প্রভাবশালীদের ঘিরে রাখে। রাজনীতির মাঠ, অফিস-আদালত, গ্রাম্য পঞ্চায়েত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সেক্টরেই প্রভাবশালীর আশপাশে ঘুরঘুর করতে দেখা যায় এ ধরনের লোকদের। এসব মানুষ খুবই চালাক প্রকৃতির ও
সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ব্যাপক হারে ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় অনেক মানুষকে দেশে শরিয়া আইন কার্যকর করার জন্য দাবি জানাতে দেখছি। ব্যাপারটি আমার কাছে যথাযথ বুদ্ধিদীপ্ত বলে মনে হয়নি। এই দাবির
রাতের শেষাংশ অত্যন্ত বরকতময় একটি সময়। রাতের নামাজ বা তাহাজ্জুদের নামাজ আল্লাহ তাআলার কাছে একটি প্রিয় ইবাদত। তাহাজ্জুদের নামাজের অনেক ফজিলত আছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের গুণাবলিতে রাত্রি জাগরণ
দুনিয়ায় মানুষ সাধারণত গরিব, দুর্বল ও অসহায় মানুষকে হীন চোখে দেখে। এর বিপরীতে ধনী, প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর মানুষকে মর্যাদার চোখে দেখা হয়। কিন্তু আল্লাহর কাছে ধন-সম্পদ ও সামাজিক প্রভাব মর্যাদার
মানবচরিত্রের প্রধান ও সৎ গুণাবলির অন্যতম একটি সত্যবাদিতা। আর এই সত্যবাদিতার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ ছিলেন আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তাইতো নবুয়তপ্রাপ্তির আগে থেকেই তাঁর সত্যবাদিতায় মুগ্ধ আরবরা সর্বজনীনভাবে ‘আল-আমিন’
অপরাধী বিস্ময়ে বিমূঢ় হবে আর যখন সে সময়টি (হাশরের মাঠে) সমাগত হবে, সে দিন অপরাধী বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে যাবে। (এখানে অপরাধী বলতে দুনিয়ায় যারা হত্যা, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ করে