কুরআন-হাদিস পড়লে বান্দার প্রতি আল্লাহর দয়া-অনুগ্রহ উপলব্ধি করা যায়। তাঁর দয়া-অনুগ্রহের কোনো সীমা-পরিসীমা নেই। তবে বুঝতে হবে, তাঁর এই দয়া দুনিয়ার জীবনে সব মানুষের প্রতি কিন্তু আখিরাতে কাফিরদের (অমান্যকারী) প্রতি
একটি হাদিস শরিফে রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদ বানানোর উদ্দেশ্য বর্ণনা করেছেন। আনাস (রা.) সূত্রে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, এই মসজিদগুলো বানানো হয়ে থাকে আল্লাহর স্মরণ ও আলোচনা, নামাজ ও কোরআন
জিকির আরবি শব্দ। শব্দটির অর্থ হলো স্মরণ করা, সংরক্ষক, উপদেশ, নামাজ, বিধান, মর্যাদা। এ ছাড়াও শব্দগতভাবে জিকির শব্দের মানে হলো আল্লাহকে স্মরণ করা, তাঁকে নিয়ে আলোচনা করা, সালাত পড়া বা
মুয়াবিয়া (রা.) বলেন, ‘একদিন রাসুলুল্লাহ (সা.) বের হয়ে সাহাবিদের এক মজলিসে পৌঁছলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের এখানে কিসে বসিয়েছে? তাঁরা বললেন, আমরা আল্লাহর স্মরণে এবং তিনি যে আমাদের হেদায়াত দান
ইসলামী ইবাদত বলতে আমরা দুই ধরনের কাজকে বুঝিয়ে থাকি। এক. নিরেট ইবাদত। নিরেট ইবাদত হচ্ছে এমন সব কাজ যা আল্লাহর আদেশক্রমে তাঁর রাসূল সা:-এর শেখানো নিয়মানুযায়ী কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে
ঈমান মানুষের বোধ, বিশ্বাস ও কর্মে একটি বিপ্লবী পরিবর্তন আনে। একজন মানুষ ঈমান আনলে তাকে মোমিন বা বিশ্বাসী বলা হয় এবং ঈমান না আনলে তাকে কাফির বা অবিশ্বাসী বলা হয়।
মৃত্যু অনিবার্য। প্রতিটি প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তবে কার মৃত্যু কোন অবস্থায় হবে তা নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, আল্লাহর রাসুল (সা.)বলেছেন, ‘এক ব্যক্তি জান্নাতিদের আমল
তিনি চলে গেছেন না ফেরার দেশে। এক বুক বেদনা, এক রাশ ঘৃণা আর আর কতগুলো অব্যক্ত যন্ত্রণা নিয়েই বিদায় জানিয়েছেন মাটির পৃথিবীকে। যে প্রতিষ্ঠানটির জন্য তিলে তিলে নিজেকে ক্ষয় করেছেন।
রাখে আল্লাহ মারে কে- এমন একটি প্রবচন আমাদের দেশে বেশ প্রচলিত। করোনাকালে এ সত্যটি আরও বেশি প্রভাব বিস্তার করেছে জনমনে। জন্ম ও মৃত্যু আল্লাহর ইচ্ছাধীন। আল্লাহ মানুষকে হেদায়াতের জন্য বালামুসিবত
ব্যক্তিত্ব গঠনে মানুষকে কিছু চারিত্রিক গুণাবলি অর্জন করতে হয়ে। সেগুলো অর্জনে অক্ষম হলে মানুষ ব্যক্তিত্বহীন হয়ে পড়ে। তাই ব্যক্তিত্ব গঠনে আমাদের উচিত সেই চারিত্রিক গুণাবলিগুলো অর্জন করা। নিম্নে কোরআন হাদিসের