সালাম থেকে ইসলাম। সালাম শব্দের অর্থ শান্তি। প্রত্যেক মুসলমানই একেকজন শান্তির পায়রা। মুসলমানরা একে-অন্যকে ‘সালাম-শান্তি’ বলে অভিবাদন জানায়। মেশকাতের একটি হাদিসে রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘এক মুসলমান আরেক মুসলমানের সঙ্গে দেখা
কোরআন এমন একটি কিতাব, যা মানবসমাজের জন্য কল্যাণকর হিসেবে নাজিল করা হয়েছে। এ কিতাবে অসংখ্য রোগের শেফা রয়েছে। এমন দুটি মেডিসিনের কথা কোরআনে বর্ণিত যেটির অজানা তথ্য দিয়েছে আধুনিক বিজ্ঞান।
পারস্য সাম্রাজ্যের সেনাপতি রুস্তম মুসলিম বাহিনীর সেনাপতি সাদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.)-এর কাছে বার্তা পাঠিয়েছিলেন, তিনি যেন কোনো মুসলিমকে তাঁদের কাছে পাঠান, যার সঙ্গে তাঁদের এই অভিযানের উদ্দেশ্য জানা যাবে।
শিশু শিক্ষার্থীদের সৃষ্টিশীল মেধা বিকাশে শিক্ষকদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের অভিভাবকসুলভ যত্নশীল আচার-আচরণ শিশুর স্বচ্ছ মেধা-মনন, সুস্থ বিবেক-বুদ্ধি ও মানসিক চিন্তা-চেতনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই শিশুদের শিক্ষাদান পদ্ধতি ও পাঠে
কুরআনের মৌলিক পরিভাষাÑ ‘ইকামাতে দ্বীন’ আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া জানানোর পর বলা যায়Ñ মানবজাতির পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান তথা মহাগ্রন্থ আল কুরআনুল কারিমে যতগুলো পরিভাষা (আমলে সালেহ, তাজকিয়াতুন নফস, আকিমুস সালাহ, ইলাহ, রব,
কুরআন মজিদে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আর কোনো লোক এমনও রয়েছে, যারা অন্যদের আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে এবং তাদের প্রতি তেমনি ভালোবাসা পোষণ করে, যেমন আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা হয়ে থাকে। কিন্তু
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা মানুষের মর্যাদা অনুসারে তার সঙ্গে ব্যবহার করো।’ (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪৮৪৪) মুহাদ্দিসরা হাদিসটিকে উচ্চতর প্রজ্ঞাসম্পন্ন বলে অবহিত করেছেন। কেননা প্রজ্ঞা
ইসলাম কালজয়ী আদর্শ ও জীবনব্যবস্থার সমন্বিত নাম। ব্যক্তিগত শুদ্ধাচারের মাধ্যমে একটি আদর্শ সমাজ, কল্যাণকর রাষ্ট্র পরিচালনার নির্দেশ স্বয়ং ইসলামের। আরবিতে শুদ্ধাচারকে ‘তাজকিয়া’ বলে। বাংলায় শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততা
মহানবী সা:-কে আল্লাহ তায়ালা পাঠিয়েছেন দাওয়াত ও প্রচার-প্রসারের মাধ্যমে ইসলামকে বিজয়ী করার জন্য। তাঁর এ দাওয়াতে বাঁধারপ্রাচীর হয়ে দাঁড়ান আপন চাচা আবু লাহাব। অতঃপর যখন দাওয়াতসংক্রান্ত প্রথম আয়াত নাজিল হয়
আমেরিকার মধ্যস্থতায় আরব আমিরাত ও বাহরাইন তথা উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর ইসরায়েলের সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কের ঘোষণায় মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র ভূমি আল-আকসা মসজিদ চত্বর বিভক্ত হয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। কারণ