বিশ্বজুড়েই চলছে করোনাভাইরাসের তাণ্ডব। এই ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে মাস্ক ব্যবহার করা অত্যাবশ্যকীয়। কেননা, এই ভাইরাস থেকে বেঁচে থাকার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় এটি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও এই পরামর্শই দিচ্ছেন। মাস্ক পরলে বেশিরভাগ
আক্রান্তদের মস্তিস্ক আর কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে কোভিড-১৯, যা রোগীদের সাইকোসিস, পক্ষাঘাত ও স্ট্রোকের কারণ হতে পারে৷ অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যাগুলো ধরা পড়ে শেষ পর্যায়ে৷ আক্রান্তদের মস্তিস্ক আর কেন্দ্রীয়
বাজারে এ সময় হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। একবারে বেশি করে আম কিনলে কিনে ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। সংরক্ষণ করা আম দিয়ে বছরের যেকোনো সময় আমের মিল্কশেক কিংবা দুধ-আম
নবজাতকের প্রতি যত্নশীল হতে হবে বাবা-মাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের। বিশেষ করে তার খাবারের প্রতি নজর দিতে হবে। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা জন্মের প্রথম বছর শিশুকে খাওয়ানো যাবে না। আসুন
করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রধান উপসর্গগুলো হলো জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট। ভাইরাসটি সাধারণত ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায়। তবে শরীরের অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সমস্যার কারণও হতে পারে এই ভাইরাস। এর মধ্যে অন্যতম হলো স্নায়ুতন্ত্রের সমস্যা।
মুখে মাস্ক পরলে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি শতকরা ৬৫ ভাগ পর্যন্ত কমে যায় বলে দাবি করেছেন বিজ্ঞানীরা। ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার ডেভিস চিলড্রেনস হাসপাতালের এক গবেষণায় এ তথ্য মিলেছে। এর
সারাবিশ্বে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এই ভাইরাস থেকে সুরক্ষার অন্যতম উপায় হচ্ছে– বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার করা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে মাস্ক পরাটাও বিপজ্জনক হয়ে
বিশেষ কোনও উপসর্গ ছাড়াই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে বা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, এমন কারোর সংস্পর্শে এলে সেই ব্যক্তিকে বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। করোনাভাইরাস যে হারে ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে, তাতে
দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততা আর যানজটের ভোগান্তি এড়াতে ও সময় বাঁচাতে বহুদিন ধরেই জনপ্রিয় ভার্চুয়াল বাজার বা অনলাইন শপিং। তবে কোভিড-১৯ সংকটকালে অনলাইন শপিংয়ের আরেক নাম হয়ে উঠেছে সংক্রমণ ঝুঁকি কমানো ও
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব মতে, বাংলাদেশে বর্তমানে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশনের রয়েছেন ১৬ হাজার ৮৫৬ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টাতেই আইসোলেশনে যুক্ত হয়েছেন ৭৯২জন। বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস