নতুন করে করোনা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় ঈদুল ফিতর পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হতে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত
২০২১ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। কেন্দ্র সংক্রান্ত কোনো আবেদন থাকলে আজ বুধবারের মধ্যে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে
আগামী ২ এপ্রিল ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সে অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষা পেছাতে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ঝালকাঠির নলছিটির নাগরিক তাইমুর খান বাপ্পির পক্ষে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দাখিল করেন
আগামী ১ এপ্রিল থেকে ২০২১ সালের এসএসসির ফরম পূরণ শুরু হবে। নির্বাচনী পরীক্ষা ছাড়াই এবার ফরম পূরণের সুযোগ পাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। রোববার ঢাকা বোর্ড থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য
জাতীয় শিক্ষানীতির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং কোচিং, প্রাইভেট ও নোট-গাইড, অনুশীলন বা সহায়ক বই বন্ধ করার জন্য ২০১১ সালের জানুয়ারিতে শিক্ষা আইন তৈরির কাজ শুরু করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ১০ বছর পর
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস-বিসিএস পরীক্ষায় যারা ঝরে যান তাদের বেশিরভাগের বিকল্প ক্যারিয়ার পরিকল্পনা না থাকায় একপর্যায়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এমন অবস্থায় কেবল বিসিএস-কেন্দ্রিক চিন্তাভাবনা না রেখে নিজেকে অন্য ক্ষেত্রগুলোর জন্য প্রস্তুত
বর্তমানে দেশের ছয়টি পাবলিক ও ৩১টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের পদ শূন্য রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব অন্য কেউ পালন করলেও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দায়িত্বে কেউ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়ে দুপুর ১২টায় শেষ হয়। রাজধানীসহ
করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তবে আগামী ৩০ মার্চ খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ চলছে। তবে চলতি বছর
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা ও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা না নেওয়াসহ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সেগুলো স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠানো হয়েছে।