করোনাকালে পুরোদমে শুরু হয়েছে অনলাইন ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতিতে লেখাপড়া। ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সরাসরি পদ্ধতির লেখাপড়া বন্ধ আছে। এ জন্য বিকল্প মাধ্যমে ঘরে বসে এই লেখাপড়া
শতভাগ শিক্ষার্থীকে প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং বিনামূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট প্যাকেজ প্রদানে সরকারি প্রণোদনার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজশাহী মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে রোববার বেলা ১১টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালিত হয়। ছাত্রমৈত্রী
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনলাইন ক্লাস নিয়ে লেজেগোবরে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিয়ে শুরু করা এ ক্লাসের বাইরেই থাকছে উচ্চশিক্ষা স্তরের অন্তত ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী। শিক্ষকদের প্রস্তুতিহীনতা, জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের জুম
হত্যা মামলায় কারাগারে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মনির হোসেনের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসূচির
আগামী ৯ আগস্ট থেকে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলবে। রোববার অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক (ঢাকা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান) বিষয়টি
আদাবর বাজারের কাছে বাসাটি। গাড়িবারান্দায় রঙিন দোলনা। নিচতলায় পাশাপাশি কয়েকটি ঘরের বন্ধ দরজার ওপর শ্রেণির নাম লেখা। দেয়ালে ফুল-লতাপাতা আঁকা। এসব আয়োজন নিয়ে করোনাকালে সুনসান পড়ে আছে ছোট্ট কিন্ডারগার্টেন পপুলার
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনস্ত সব কলেজেই অনলাইন চালুর তাগিদ দেয়া হয়েছে। একই সাথে করোনার এই সংকটে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যাতে বন্ধ না থাকে সে জন্য সব কলেজে অনলাইনে
গত ১৮ মার্চ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যখন হল বা মেস ছেড়ে দলে দলে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছিলেন, তখনো তাঁরা জানতেন না, দীর্ঘ চার মাসেও ক্যাম্পাসে ফেরা হবে না। করোনাভাইরাসের প্রকোপের
শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ও তার লেখাপড়ার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনে কাজ চলছে। আমরা গতানুগতিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি, টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর জোর দিচ্ছি। সবার জন্য অনার্স,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ শুক্রবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তিনি ১৯৩২ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন ব্রিটিশ