ধারাবাহিক উত্থান বজায় রেখে চলছে শেয়ারবাজার। করোনা ভাইরাস শুরু হওয়ার পর এমন ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আর দেখা যায়নি। গতকাল সপ্তাহের প্রথম দিনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচক এক বছরের মধ্যে
করোনার কারণে অর্থনৈতিক দুর্দশা রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে জাপানে। বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে গত বছরের তুলনায় বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ এই অর্থনীতির মোট দেশজ উৎপাদন কমেছে ২৭ দশমিক ৮ শতাংশ। বিবিসি অনলাইনের এক
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয়। তবে সেই ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে ভিয়েতনাম। দেশটির বেশি ব্যবসা পাওয়ার মূলে রয়েছে সেই চীনা বিনিয়োগ। তাহলে কি সত্যি সত্যি বাংলাদেশ ভিয়েতনামের কাছে তার দ্বিতীয় শীর্ষ
বিদায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরে অর্জিত ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ জিডিপির সাময়িক প্রবৃদ্ধির হার রাজনৈতিক এবং একে অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয়েছে। সিপিডির এই মন্তব্য নিয়ে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা
কভিড-১৯-এর প্রভাবে সারা বিশ্বের মানুষের পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যও হুমকিতে পড়েছে। একসময় মানুষ ঘরবন্দি থাকলেও আবার বের হয়ে এসেছে। জীবন-জীবিকার তাগিদে কর্মহীন এসব মানুষের পাশে এগিয়ে আসেন উদ্যোক্তারা। সরকার ও উদ্যোক্তা
করোনার মধ্যেও প্রবাসী আয়ে গত দু’মাসে একের পর এক রেকর্ড তৈরি হয়েছে। এ মুহূর্তে রেমিটেন্সের জোয়ারে ভাসছে দেশ। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এ জোয়ার কতটা স্থায়ী এবং টেকসই হবে- তা বলা
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ লেনদেন চলছে সূচকের বড় উত্থানের মধ্য দিয়ে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
মহামারি করোনায় বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে চেষ্টা করছে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক। করোনার ক্ষতি কাটাতে ঘোষিত এক লাখ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন নির্দেশনা দিচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
এনজিও ঋণে কড়াকড়ি করা হচ্ছে। এ জন্য তদারকির আওতায় আনা হচ্ছে ক্ষুদ্রঋণগ্রহীতাদের। এক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে অন্য প্রতিষ্ঠানে পরিশোধ করা বা একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ঋণের জালে আটকে
করোনা-পরবর্তী অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় ব্যয় বৃদ্ধি করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এক বছরের ব্যবধানে সরকারি ব্যয় শূন্য দশমিক ৮ ভাগ বাড়ানো হবে। বর্তমানে জিডিপি’র অনুপাতে সরকারি ব্যয় ১৫ দশমিক ১ ভাগ।