করোনা মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী আর্থিক মন্দার মধ্যেও রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত বছরের জুলাই মাসের তুলনায় এ বছর জুলাইয়ে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৩.০৬ মিলিয়ন মার্কিন
কোরবানির পশুর লবণযুক্ত চামড়া কেনাবেচা শুরু হয়েছে। তবে ট্যানারিগুলো সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক কমে কিনছে বলে অভিযোগ করেছেন আড়তদাররা। যদিও ট্যানারি মালিকদের সংগঠনের নেতারা নির্ধারিত দরেই কিনবেন বলে আশ্বাস
করোনা মহামারির মধ্যেও এক মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক মাসে এত বেশি রেমিট্যান্স আগে কখনো আসেনি। শুধু জুলাই মাসেই ২.৬ বিলিয়ন (২৬০ কোটি) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স
এক বছরের ব্যবধানে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি কমেছে ৩৫ হাজার ৫১১ কোটি টাকা। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে নিট সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছিল ৪৯ হাজার ৯৩৯ কোটি টাকা। আর বিদায়ী ২০১৯-২০ অর্থবছরে বিক্রি হয়েছে ১৪ হাজার
ইউরোপে যখন করোনাভাইরাস সংক্রমণের সর্বোচ্চ অবস্থা ছিল, তখনো কোনো ধরনের লকডাউন কর্মসূচি নেয়নি সুইডেন। বিধিনিষেধেও ছিল না তেমন কড়াকড়ি। তবে এর পরও অর্থনৈতিক ক্ষতি এড়াতে পারেনি দেশটি। দেশটির সরকারের প্রকাশিত
করোনার ধাক্কায় সব দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতি হবে জানাই ছিল। কিন্তু মাত্রা কতটা হবে, তা নিয়ে নানা ধরনের পূর্বাভাস ছিল। ছিল নানা আলোচনা। গত দুই দিনে বিভিন্ন দেশ নিজেদের এপ্রিল-জুনের জিডিপির
কোরবানির পশুর চামড়া কিনে বিপদে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। গরুর চামড়ার দাম ধসের পর ছাগলের চামড়া কেউ কিনছে না। যে দামে চামড়া কিনে এনেছেন সে দামেও কেউ কিনতে চায় না। ফলে অনেকে
খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের মডার্ন ফুড স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি প্রজেক্টের জন্য অতিরিক্ত ২০ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার অর্থায়নে অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার সমান ৮৬ টাকা ধরে) প্রায়
চামড়ার সবচেয়ে বড় আড়ত রাজধানীর পোস্তা। এই আড়তের ব্যবসায়ীরা এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ গরুর চামড়া কিনেছেন। এসব চামড়ার লবণ মেশানোর কাজ চলছে। সংগৃহীত এসব চামড়ার বেশির ভাগই ঢাকার, আশপাশের
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর অনেক আগ থেকেই প্রবাসী আয় ছাড়া অর্থনীতির সব সূচক খারাপ অবস্থায় ছিল। এখন করোনার মধ্যেও হঠাৎ করে আমদানিতে ইতিবাচক ধারা শুরু হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায়