করোনার প্রভাব মোকাবেলায় রফতানি খাত স্বাভাবিক রাখতে বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থেকে করোনার কারণে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবেলার ব্যবস্থা রেখে বিকল্প কোনো উৎস থেকে রফতানিকারকদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণের
করোনার প্রভাবে ব্যাংকের পরিচালন মুনাফায় ধস নেমেছে। গত ৬ মাসে (জানুয়ারি-জুন) প্রায় সব ব্যাংকের মুনাফাই কমে গেছে। ব্যাংকাররা জানিয়েছেন, করোনার কারণে আমদানি-রফতানি প্রায় বন্ধ ছিল। এতে কমিশন আয় কমে গেছে।
করোনাভাইরাসের কারণে ব্যাংক খাতে যখন টাকার সংকট, তখন বেসরকারি খাতের প্রথম ব্যাংক হিসেবে ইসলামী ব্যাংকে আমানতের পরিমাণ এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যা পুরো ব্যাংক খাতের ৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
বিনিয়োগ কমছে সঞ্চয়পত্রে। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, সর্বশেষ গত এপ্রিলে সঞ্চয়পত্রে নতুন বিনিয়োগের চেয়ে উত্তোলন হয়েছে দ্বিগুণ। আলোচ্য সময়ে সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে মাত্র ৬৬২ কোটি টাকার। একই সময়ে বিনিয়োগকারীদের
সদ্য বিদায় নেওয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরের মাত্র চারটি প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজারে এসেছে। এক অর্থবছরে এটি সর্বনিম্ন আইপিও আসার রেকর্ড। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) আগের চেয়ারম্যান এম
দেশে করোনা শনাক্ত হওয়ার প্রায় চার মাস হয়ে গেছে। করোনার সাধারণ ছুটির সময় অনেক খাতের মতো ইস্পাত খাতেও উৎপাদন ৩০-৪০ শতাংশে নেমে এসেছিল। ছুটি প্রত্যাহারের পর এখন কারখানার উৎপাদন কিছুটা
দেশে ১৯৯০ সাল থেকে কাঁচা চামড়া রপ্তানি বন্ধ। পচে যাওয়া ঠেকাতে রপ্তানি খুলে দেওয়ার সুপারিশ ট্যারিফ কমিশনের। তিন দশক ধরে দেশে যে সুযোগ বন্ধ রয়েছে, তা এবার খুলে দেওয়ার সুপারিশ
দুই প্রকল্পে ১৪ কোটি ২০ লাখ ডলার বা প্রায় এক হাজার ২০৭ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এর মধ্যে পল্লী সড়ক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ প্রকল্পে অতিরিক্ত অর্থায়ন হিসেবে
বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত বিশেষ তহবিল থেকে শেয়ারবাজারে কী পরিমাণ বিনিয়োগ হয়েছে, তা জানতে চেয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সংস্থাটি থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি মঙ্গলবার ব্যাংকগুলোয়
ব্যাংকারদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে বেতনভাতার ওপর হাত দিচ্ছে না বেশির ভাগ ব্যাংক। বিপরীতে বিকল্প উপায়ে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে বছর শেষে মুনাফা একটু কম হলেও মেনে নিতে রাজি