মহামারী করোনার প্রভাবে পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও স্থবির হয়ে পড়ে স্বাভাবিক জীবনব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি। ভাইরাসটি অতি সংক্রামক হওয়ায় বিশ্বের প্রায় সব দেশেই জারি করা হয় লকডাউন। পূর্ব প্রস্তুতি ছাড়াই
দেশের বাজারে বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ওএলইডি ল্যাপটপ জেনবুক ফ্লিপ এস (ইউএক্স৩৭১) আনার ঘোষণা দিয়েছে আসুস। প্রিমিয়াম ডিজাইনের ল্যাপটপটি সর্বশেষ ১১ প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই সেভেন প্রসেসরের। এতে ১৬ জিবি র্যামের
স্মার্ট ডিভাইসের এই যুগে, স্মার্টফোন গেমিংও এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং গেমিং প্রতিষ্ঠানগুলো স্মার্টফোনে খেলার উপযোগী গেম বানাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায়, তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি নারজো সিরিজের গেমিং স্মার্টফোন
প্রতিবছর বাংলাদেশ সরকারের কম্পিউটার ইনসিডেন্স রেসপন্স টিমের রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট ইউনিট ‘বাংলাদেশ সাইবার থ্রেট ল্যান্ডস্কেপ’ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এবারের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৯-২০ সালের জন্য বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি
টেলকো সেক্টরের ৩টি কোম্পানিই এখন অবৈধ ভিওআইপি (ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল) সম্রাটদের দখলে। কোম্পানি ৩টি হল-বিটিসিএল, টেলিটক এবং ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকম (ডট)। শুধু ভিওআইপি বাণিজ্যই নয়, এই ৩ কোম্পানির শীর্ষ
নিউরন থেকে সরাসরি মানুষের ভাবনা-চিন্তা সংগ্রহ করে যদি অক্ষরে রূপান্তরিত করা যায় তাহলে কেমন হয়? এ রকমই এক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। মানুষের মস্তিষ্কের ভাবনা বোঝার
করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে দেশে প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, করোনা না এলে এই বিপ্লব ঘটতে আরো পাঁচ বছরের বেশি সময় লাগত। করোনা শুরুর পর গত ৯ মাসে ইন্টারনেট ব্যবহার
স্প্যাম বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় সাইবার ঝুঁকি হিসেবে উঠে এসেছে। বাংলাদেশ সাইবার থ্রেট ল্যান্ডস্কেপ রিপোর্ট-২০২০ অনুযায়ী শীর্ষ ১০ সাইবার ঝুঁকিতে শীর্ষে রয়েছে এই স্প্যাম, যা আগের বছর দ্বিতীয় স্থানে ছিল।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বর্তমানে দেশের ১১ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। আইসিটি সেক্টরে ১০ লাখ ছেলেমেয়ে কাজ করছে। ঘরে বসেই ফ্রিল্যান্সাররা বৈদেশিক মুদ্রা
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) প্রকোপে লণ্ডভণ্ড বিশ্ব। আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। তবে এরইমধ্যে বিশ্ব অর্থনীতি কভিড-১৯ মহামারির ধাক্কা সামলে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তথ্যপ্রযুক্তি পণ্যের চাহিদাও বাড়তে শুরু