হিজরি বর্ষপঞ্জির পহেলা মাস মহররম একটি তাৎপর্যমণ্ডিত এবং বরকতময় মাস। মুসলিম ইতিহাসে এ মাসটি বিভিন্ন কারণে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত। আসমান-জমিন সৃষ্টিসহ পৃথিবীতে অনেক স্মরণীয় ঘটনা এ মাসের ১০ তারিখে অর্থাৎ পবিত্র
বর্তমান যুগে অনলাইনে কেনাকাটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে করোনা মহামারি আসার পর থেকে মানুষ অনলাইন কেনাকাটায় স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ বোধ করে। যেকোনো জিনিস কেনা যায় ঘরে বসেই। এটি
সুরা কাহফ পবিত্র কোরআনের একটি ফজিলতপূর্ণ আলোচিত সুরা। বিশেষ তাৎপর্যের কারণে জুমার দিন এই সুরা পড়তে হয়। এই সুরায় সূক্ষ্ম চারটি ফিতনার কথাও বর্ণিত হয়ছে। ফিতনা চারটি হলো—এক. দ্বিনের ফিতনা
প্রতিভা আল্লাহর বিশেষ দান। প্রত্যেক মানুষের বিশেষ প্রতিভা আছে। নিজেকে সমৃদ্ধ করতে নিজের ভেতরের বহুমুখী প্রতিভা কাজে লাগানোর বিকল্প নেই। প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো নিজের মাঝে লুকিয়ে থাকা প্রতিভা খুঁজে বের
বাবার গৃহে আমি ছিলাম খুবই আদুরে মেয়ে। আমার কোনো চাওয়াই অপূর্ণ থাকত না। পাঁচ ভাইয়ের একমাত্র বোন বলে আমার স্নেহ-ভালোবাসা ও আদর-যত্নে কোনো কমতি ছিল না। সবাই আমার প্রতি বিশেষভাবে
হিংসা মানুষের একটি আত্মিক ব্যাধি। আত্মার যে ব্যাধিগুলো মানুষের ঈমানি শক্তিকে দুর্বল করে মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয় হিংসা তার অন্যতম। হিংসা শুধু ব্যক্তিকেই নয়, বরং পাড়া প্রতিবেশীসহ পুরো সমাজ
মাসের গণনা মানুষের সৃষ্টি নয়। বছরের ১২ মাসের গণনা আল্লাহর বিধান। তিনি ইরশাদ করেনÑ ‘নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর বিধানে মাসের সংখ্যা ১২টি।’ (সূরা তাওবাহ-৩৬) ১২ মাসের
মিথ্যা খুব সহজ একটি গুনাহ। ছোট একটি মিথ্যা ধসিয়ে দিতে পারে সারা জীবনের অর্জন করা সম্মান। সমাজ ও রাষ্ট্রে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলার পেছনেও থাকে কোনো না কোনো মিথ্যা। পারিবারিক কলহ,
মহান আল্লাহ, ফেরেশতা, নবী-রাসুল, আসমানি কিতাব এবং শেষ দিবসের প্রতি একজন মুমিনের দৃঢ় বিশ্বাস রাখার পাশাপাশি জীবন চলার পথে বেশ কিছু বিষয় ও বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা মুমিন বান্দাকে অর্জন করে
কবর জিয়ারত করা সুন্নত। এটি হৃদয়কে বিগলিত করে। নয়নযুগলকে করে অশ্রুশিক্ত। স্মরণ করিয়ে দেয় মৃত্যু ও আখিরাতের কথা। ফলে এর দ্বারা অন্যায় থেকে তাওবা এবং নেকির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হয়।