আল্লাহ রহমান রহিম, তিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু। আল্লাহর ইবাদত বান্দার জন্য নেয়ামত। রমজান মাসের রোজা আল্লাহ তাআলার অনন্য নেয়ামতে পরিপূর্ণ। বান্দা তা স্বচ্ছন্দে পালন করবে। কোনো কারণে সময়মতো পালন
ইবাদতের বিশেষ মাস রমজান। ইবাদত অর্থ জীবনের সব ক্ষেত্রে আল্লাহর আনুগত্যের মাধ্যমে তাঁর রেজামন্দি হাসিল করা। বাহ্যিক ইবাদত তিনভাবে হয়ে থাকে: মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক। ইসলামি অর্থব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো
মানুষ দোষে-গুণে সৃষ্ট। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষ সৃষ্টি করে তার মধ্যে পাপ-পুণ্যের সম্ভাবনা দিয়ে রেখেছেন। কোরআন কারিমে রয়েছে, ‘অতঃপর আল্লাহ তাতে (মানবসত্তায়) অপরাধপ্রবণতা ও তাকওয়া বা সতর্কতার জ্ঞান দান করলেন।’
চলমান করোনা অতিমারিতে থমকে গেছে অনেক কিছুই। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রোজার সময়কার নানা আনন্দানুষ্ঠানও। অথচ ধর্মীয় আচার–অনুষ্ঠানের চেয়ে এসব রীতি সাংস্কৃতিক উদযাপন হিসেবেই বেশি জনপ্রিয়। বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রমজান
মাহে রমজানের রয়েছে অগণিত সওয়াব, মর্যাদা ও বহুমুখী কল্যাণ। রমজান মানুষের আধ্যাত্মিক শক্তি, তাকওয়ার শক্তি ও আমলের শক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি তা মানুষের কিছু ব্যবহারিক শক্তিকেও শানিত করে তোলে। একজন মুসলিম
মসজিদ মুসলমানদের পবিত্র স্থান। যার মাধ্যমে প্রসার ঘটেছে ইসলামের। প্রাচীন এসব স্থাপত্যের মসজিদগুলো ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি ঐতিহাসিকভাবেও প্রসিদ্ধ। প্রাচীন মসজিদগুলোর নির্মাণশৈলী, আয়তন ও ইতিহাস মানুষকে করেছে বিস্মিত। বিশ্বের প্রাচীন মসজিদ
বিশ্বের প্রথম মানব ও প্রথম নবী হযরত আদম ছফীউল্যাহ (আ.) হতে শুরু করে আখেরী নবী হযরত মোহাম্মাদ মুস্তাফা আহমাদ মুজতাবা (সা.) পর্যন্ত সকল নবী ও রাসূলগণের এবং তাদের উম্মতগণের পরম
যে পাঁচটি বিষয়ের ওপর ইসলামের মূল ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত তন্মধ্যে রোজা অন্যতম। রোজা শব্দের আরবি শব্দ হলো সওম। সওম শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো বিরত থাকা। শরীয়তের পরিভাষায় পানাহার এবং স্ত্রী সঙ্গম
রমজানে রাতে স্বপ্নদোষ বা সহবাসের কারণে গোসল ফরজ হয়ে থাকলে এ অবস্থায় পাক না হয়ে কী সেহরি খাওয়া যায়? এ বিষয়ে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে দুভাবেই বর্ণিত আছে
আল্লাহ তাআলা মানুষের মধ্যে অন্যকে অনুকরণ-অনুসরণ করার একটা সহজাত প্রবৃত্তি দান করেছেন। এটা ছোটদের মধ্যে আরো বেশি ক্রিয়াশীল। তারা বড়দের অনুসরণ করে, অনুকরণ করে। অন্যকে দেখে দেখে, শুনে শুনে শেখে।