প্রতিটি প্রাণীই মরণশীল। তাই অন্য প্রাণীর মতো প্রতিটি মানুষও প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু দুনিয়ার এই ক্ষুদ্র জীবনে কে সফল আর কে ব্যর্থ—তা চূড়ান্ত হবে কিয়ামতের দিন। মহান
কৃষি, ব্যবসা, শিল্প-কারখানা ও চাকরিবাকরি সব কিছুর লক্ষ্য হলো সম্পদ অর্জন করা। বরং এসবের পেছনে মৌলিক উদ্দেশ্য থাকে পৃথিবীতে জীবনধারণের জন্য যাবতীয় প্রয়োজন পূরণ। এক কথায় সম্পদ অর্জনের উদ্দেশ্য হলো
এক. এভাবেই আমাদের পালনকর্তা ক্ষমাশীল করুণাময়; তিনি আমাদের সেসব দরজাও খুলে দেন যা আমরা এমনকি খোলার চেষ্টাও করিনি! সুতরাং যখন তিনি আমাদের জীবনে কোনো নির্দিষ্ট দরজা বন্ধ করেন তখন কেন
মানুষ হিসেবে একে অন্যের প্রতি প্রেম-ভালোবাসা, মায়া-মমতা, ভক্তি-শ্রদ্ধা থাকা স্বাভাবিক। এসব মানবিক গুণাবলি মানুষের মাঝে আছে বলেই পৃথিবী এখনও টিকে আছে। আর মানবীয় গুণাবলি বিকাশে ও উত্তম মনুষ্য চরিত্রের উৎকর্ষ
‘রজব’ শব্দের অর্থ সম্মানিত। জাহেলি যুগে আরবরা এ মাসকে খুবই সম্মানের চোখে দেখত। এ মাসের মর্যাদা ও পবিত্রতা রক্ষায় তারা নিত্য চলমান হানাহানি, মারামারি ও যুদ্ধবিগ্রহ বন্ধ করে দিত। এ
তাওয়াক্কুলের ধারণা বুঝতে হলে পার্থিব জীবনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে মাঝে মধ্যে আপনি কতটা টেনশন ও চিন্তিত হয়ে পড়েন তা বিবেচনা করুন। চাকরি হারানো বা রিসটেনেন্স বা সাধারণ জীবনের সমস্যা যা আপনি
মাতৃভাষা সৃষ্টিকর্তার পক্ষ থেকে এক অসাধারণ নিয়ামত। ভাষা যে কতটা নিয়ামত তা একমাত্র কথা বলতে না পারা ব্যক্তিরা বুঝতে পারবে। এ জগতের সবকিছুর সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ, মাতৃভাষাও এর ব্যতিক্রম নয়।
সুখ ও শান্তি মানবজীবনের পরম প্রত্যাশিত বস্তু। আমাদের জীবন আবর্তিত হয় এই কাঙ্ক্ষিত বস্তুকে ঘিরেই। দুর্দশা ও হতাশাগ্রস্ত জীবনে একটুখানি সুখের আশায় কত কিছুই না আমাদের করতে হয়। কিন্তু আমরা
আরবি শব্দ মোহাব্বাত অর্থÑ ‘ভালোবাসা’ যা মানুষের অন্তরের একটি বিশেষ অবস্থার নাম, মূলত এটি একটি আবেগকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতা। চার বর্ণের ছোট্ট শব্দটি অপবিত্র তখনই হয় যখন হারাম দিয়ে হয় এর শুরু।
আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয় আল্লাহতায়ালার বিধান মতে আল্লাহর নিকট মাসের সংখ্যা বার মাস সেই দিন হতে যেই দিন তিনি আকাশ মণ্ডল এবং পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত