তাওবা মুমিনের জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সাহাবিদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এটি। তাঁরা শত্রু থেকে সতর্ক থাকার চেয়েও বেশি পাপাচার থেকে সতর্ক থাকতেন। আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন, ‘আল্লাহ, আমাদের হালাল কাজের তাওফিক
পুলসিরাত; জান্নাতে পৌঁছানোর একমাত্র পথ। এটি ভিন্ন দুইটি ভাষার দুইটি শব্দ একসঙ্গে পরকালের একটি অবস্থার বর্ণনার মাধ্যমে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একটি শব্দে পরিণত হয়েছে। পুলসিরাত কী? কী ঘটনার সঙ্গে এটি সম্পর্কিত?
কোরআন ও হাদিসে কিছু খাবার মুমিনের জন্য হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। এসব খাবার গ্রহণ করা কবিরা গুনাহ। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আপনি বলে দিন, যে বিধান ওহির মাধ্যমে আমার কাছে
শুধু মৌলিক (ফরজ) ইবাদত পালনের নামই ইসলাম নয়। বরং এর সাথে আরো অনেক আনুষঙ্গিক ইবাদত, ধর্মীয় আচার-আচরণ, রীতিনীতি ও বান্দার সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন অধিকার জড়িত রয়েছে। কেউ যেন তার অপর
বিয়ের জন্য উকিল বা অভিভাবক অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বিয়ে পড়ানো থেকে শুরু করে সব কাজেই উকিল বা অভিভাবকের প্রয়োজন। কিন্তু উকিল ছাড়া কি বিয়ে হবে? আবার বিয়ের জন্য উকিল বা অভিভাবক
উচ্চারণ : ‘আল্লাহু আল্লাহু রব্বি লা উশরিকু বিহি শাইয়ান’। অর্থ : ‘আল্লাহ! আল্লাহ! আমার রব! তাঁর সঙ্গে আমি কাউকে শরিক করি না।’ উপকার : আসমা বিনতে উমাইস (রা.) থেকে বর্ণিত,
পরকালীন জীবনে মুক্তি ও সফলতা নির্ভর করে তাকওয়া অবলম্বনের ওপর। সুন্দর ও পরিপাটি জীবন গঠনে তাকওয়ার ভূমিকা অপরিসীম। তাকওয়া অবলম্বনকারীকে মুত্তাকি বলা হয়। আল কুরআনে হিদায়াত লাভের পূর্বশর্ত হিসেবে তাকওয়ার
ফরজ নামাজের আগে-পরে সুন্নত নামাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্ব ও ফজিলতপূর্ণ সুন্নত হলো ফজরের দুই রাকাত সুন্নত। হাদিস শরিফে এই সুন্নতের প্রভূত ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.)
মানুষের যেসব অঙ্গের মাধ্যমে গুনাহ সংঘটিত হয় তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মুখ। যে ব্যক্তি এ মুখ সংযত রাখতে পারবে, অনেক কবিরা গুনাহ থেকে তার বেঁচে থাকা সম্ভব হবে। মুখের
মানুষ সৃষ্টির সেরা। মানুষের জন্য যা কিছু কল্যাণকর ও উপকারী তা মহান আল্লাহ তাঁর পেয়ারা হাবিব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দ্বারা জানিয়ে দিয়েছেন। পক্ষান্তরে যা কিছু ক্ষতিকর ও অকল্যাণকর