এক ব্যক্তি দেড় বছর হলো সংসার পেতেছেন। এখন তো নতুন স্ত্রীও আর নতুন নেই। তবু বাসর রাতের সেই ঘটনাটা তার কাছে নতুন! অনন্য! অতুলনীয়। অবিস্মরণীয় হয়ে আছে একটি কারণে। বাসর
দুনিয়ার সুন্দর অবলীলায় চলার পথে আমাদের কতরকমের বন্ধুবান্ধবের সূচনা হয় একেক অভিজ্ঞতায়। পরিচয় হয়, কথা হয়, বন্ধুত্ব হয় তা সত্যিই চমৎকার! কিন্তু সব বন্ধু এক নয়। একেকজনের কৃষ্টি কালচার একেকরকম,
মহান আল্লাহ মহাক্ষমতাধর। তাঁর কুদরতে সব কিছুর সৃষ্টি। তাঁর কুদরতের কিছু অনুপম নিদর্শন হলো— নিকৃষ্ট বস্তু থেকে উত্কৃষ্ট জীবের সৃষ্টি : পৃথিবীতে যত ধরনের উপাদান রয়েছে, তার মধ্যে মাটি সর্বনিকৃষ্ট
জলে বাস করে অসংখ্য প্রাণী। সমুদ্রে আছে আমাদের জানা অজানা বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর সমাহার। মাছ, কুমির, ব্যাঙ, কাঁকড়া, কচ্ছপ, অক্টোপাস, শামুক ও ঝিনুক ইত্যাদি সবই জলজ প্রাণী। বিভিন্ন দেশের মানুষ
এটি পৃথিবীতে বিবেকবান মুমিন ও আল কুরআনের অনুসারী একটি সত্যনিষ্ঠ দলের বৈশিষ্ট্য। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আচ্ছা তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার ওপর যে কিতাব নাজিল হয়েছে, তাকে যে ব্যক্তি সত্য
আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি ন্যায়সঙ্গত হওয়া সত্ত্বেও ঝগড়া পরিহার করবে আমি তার জন্য জান্নাতের বেষ্টনীর মধ্যে একটি ঘরের জিম্মাদার; আর যে ব্যক্তি তামাশার ছলেও
দান-খয়রাত ও সদকা-জাকাত ইসলামে বিধিবদ্ধ ইবাদত। মহাগ্রন্থ আল–কোরআনে দানের কথাটি সালাত বা নামাজের মতোই বিরাশিবার উল্লেখ হয়েছে। ‘জাকাত’ শব্দটি পবিত্র কোরআনে আছে বত্রিশবার, নামাজের সঙ্গে কোরআন মাজিদে আছে ছাব্বিশবার; স্বতন্ত্রভাবে
সমগ্র পৃথিবীতে অগণিত প্রাণী রয়েছে। যাদের সৃষ্টি করা হয়েছে মানব জাতির সেবাশুশ্রƒষার জন্য। তাদের কল্যাণ সাধনের জন্য। কারণ মানুষ অতি সম্মানী প্রাণী। তামাম সৃষ্টিজগতের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের অধিকারী। তাদের রয়েছে সুশৃঙ্খল
ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো সংখ্যাই তাৎপর্যময় নয়, তবে নানা ঘটনা ও তাৎপর্যময় বিষয়ের সংশ্লিষ্টতায় কোনো কোনো সংখ্যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে। মুসলিম ইতিহাসে ১২ সংখ্যাটিও তেমনি স্মরণীয় হয়ে আছে। এর সঙ্গে
রাসূল সা:-এর আগমনের আগে আরব জাতি আচরণের দিক থেকে ছিল বর্বর ও অসভ্য। এমন একটি জাতিকে তিনি আল্লাহপ্রদত্ত জ্ঞানের আলোকে গড়ে তুলে শ্রেষ্ঠ জাতিতে পরিণত করেন। বৈষয়িক ও নৈতিক জ্ঞানের