হে যুবক, তুমি কি ইসলামের সরল পথের ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে চাও? মানব জাতিকে আলোর দিকে পথ দেখানোর স্বপ্ন দেখো? সর্বোপরি তুমি কি চাও যে তোমার রব তোমার প্রতি সন্তুষ্ট হোন?
দুনিয়ায় আল্লাহর কিছু ঘর আছে, যেখানে মহান আল্লাহর মুমিন বান্দারা তাঁর দরবারে সিজদায় রত হয়, যেখানে মহান আল্লাহর বড়ত্ব ও মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়, যেখানে প্রতি মুহূর্তে মহান আল্লাহর রহমতের
আল্লাহতায়ালা এ পৃথিবীতে কত রকমের প্রাণী যে সৃষ্টি করেছেন তার কোনো সংখ্যা নেই। মনীষীরা বলছেন, শুধু স্থলভাগেই নাকি রয়েছে ৪০ হাজার প্রাণী। তেমনি জলভাগেও রয়েছে আরও ৪০ হাজার। এ হাজার
সব মানুষেরই কমবেশি দোষ আছে। দোষ ও গুণের সমন্বয়ে মানুষ। কিন্তু মানুষের অভ্যাস হলো সদা অন্যায় খোঁজ করে। নিজের দোষের ব্যাপারে সে অন্ধ। যারা প্রকৃত মুমিন তারা নিজের দোষ দেখে
নামাজ ফার্সি শব্দ। এর আরবি হল সালাত। নামাজ বা সালাত কায়েম করা প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক ও বুদ্ধিমান মুসলমানের জন্য ফরজ বা অবশ্য কর্তব্য। নামাজ এক ধরনের নিয়ামত। এটি সর্বাপেক্ষা উত্তম দোয়া
কালেন্ডার শুধু বর্ষপঞ্জি নয়, তা ঘরের শোভাবর্ধক ও ব্যক্তি-সংস্থার বার্তাবাহকও বটে। একটি নীরব প্রচারমাধ্যম। ক্যালেন্ডারের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যবহারে পিছিয়ে নেই ধর্মীয় ধারার প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও সংস্থাগুলো। ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে তারা দ্বিন ইসলামের
আবদুর রহমান ইবনে আবি লায়লা থেকে বর্ণিত। সাহল ইবনে হুনাইফ ও কায়েস ইবনে সাদ কাদেসিয়াতে বসা ছিলেন। তখন তাদের পাশ দিয়ে একটি লাশ নিয়ে কিছু লোক অতিক্রম করে। লাশ দেখে
সময় ফুরিয়ে যায়। দিন শেষে রাত আসে, রাত শেষে আবার দিন। বছর ফুরিয়ে আবার নতুন বছর শুরু হয়। এভাবে একসময় জীবন ফুরিয়ে যায়। জীবনকে কাজে লাগানোই সবচেয়ে বড় বুদ্ধিমত্তার পরিচয়।
আমাদের চারপাশে আল্লাহর অসংখ্য নিদর্শন ছডিয়ে আছে। আমরা দৃষ্টি মেলে তাকালেই সে সব দেখতে পারি। আমাদের জোড়া চোখে আল্লাহ এত ধারণক্ষমতা দিয়েছেন, অনায়াসে যা দেখি তাই ধরে। আমরা যদি সেগুলো
আজকাল প্রায় সময় পণ্যদ্রব্যে ভেজাল দিতে দেখা যায়। কিছু কিছু ব্যবসায়ী রয়েছেন যারা মুখে মুখে কসম কেটে পণ্যদ্রব্যকে নির্ভেজাল ও খাঁটি বলে দাবি করে ভেজাল ও ত্রুটিযুক্ত পণ্য চালিয়ে দেয়।