মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি দিন দিন কমে যাচ্ছে, তাই স্বাভাবিকভাবেই কমে যাচ্ছে আল্লাহভীতি। ফলে সমাজে বেড়ে যাচ্ছে অপরাধপ্রবণতা। খুন-খারাবি, ধর্ষণ, চুরি-ছিনতাই, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিসহ সব ধরনের অপরাধ যেন স্বাভাবিক বিষয় হয়ে উঠছে।
রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দীনের ব্যাপারে সূক্ষ্ম আত্মমর্যাদাবোধের অধিকারী ছিলেন। আল্লাহর নির্দেশিত বিধানের সামান্য বিচ্যুতিও তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য হতো না। আমাদের যাপিত জীবনেও সব ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধান মেনে চলতে
আনন্দ-বেদনা নিয়েই জীবন। মানুষের জীবন যেমন কখনো আনন্দের রোল পড়ে, তেমনি কখনো ভরে ওঠে দুঃখ-ব্যথায়। দেহ ও মনের ক্লান্তি-ক্লেশ দূর করতে পারে একটুখানি বিনোদনের রেশ। জীবন মানে সদা-সর্বদা কঠোর নির্দেশনা
দূর আজানের মধুর ধ্বনি বাজে বাজে মসজিদেরই মিনারে/এ কী খুশির অধীর তরঙ্গ উঠলো জেগে প্রাণের কিনারে। মসজিদের নগরী ঢাকা। মুসল্লিদের শহর এটি। এখানে আল্লাহু আকবারের মধুর ধ্বনি জাগরণের ঢেউ তোলে
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় এক দিন রোজা রাখে, আল্লাহ তার বিনিময়ে জাহান্নাম থেকে তার মুখমণ্ডলকে সত্তর বছরের দূরত্বে রাখেন। ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭১৮ মানবজাতির প্রকৃত সফলতা
প্রভুর সাজানো এই পৃথিবীর সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করার পরও যখন বান্দা তাকে ভুলে যায়, তখনো আল্লাহ তাঁর বান্দার জন্য তাঁর দরজা খুলে রাখেন। শয়তান যখন নিরাশার সাগরে বান্দাকে ডুবিয়ে মারতে
ইসলাম মানবতার ধর্ম। সব মানুষের অধিকার ইসলামে সংরক্ষিত। ইসলামি বিশ্বাসে আল্লাহ জীবন ও মৃত্যুর স্রষ্টা, তিনি রোগ ও আরোগ্যের অধিকর্তা। মানুষ নানা প্রাকৃতিক প্রভাবে বা অর্জিত কারণে রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হতে
আমাদের এলাকায় একজন দরিদ্র ব্যক্তি চোঙা হাতে নিয়ে হাটে-বাজারে ঘুরে বেড়ান এবং মানুষকে নামাজের আহ্বান জানান। কিন্তু কেউ কেউ এতে বিরক্তি প্রকাশ করেন, উপহাস করেন। এভাবে মানুষকে নামাজের দিকে ডাকার
মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় বিশ্বজনীন ধর্মের নাম ইসলাম। যে ধর্মে যে কোনো যুগের যাবতীয় সমস্যার সমাধান ও দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে সব মানুষ সমান। ইমান ও তাকওয়া হচ্ছে
রাসূল সা:-এর মিরাজের ঘটনা ‘পবিত্র তিনি যিনি নিয়ে গেছেন এক রাতে নিজের বান্দাকে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা পর্যন্ত, যার পরিবেশকে তিনি বরকতময় করেছেন, যাতে তাকে নিজের কিছু নিদর্শন দেখান।