ইসলাম এমন একটি বটবৃক্ষ, যে এর নিচে আশ্রয় নেবে সে ছায়া পাবে। যে ঠেলাঠেলি করবে সে ছিটকে পড়বে। হারিয়ে যাবে ইতিহাসের আঁস্তাকুড়ে। এটাই ইতিহাস। যারা শিক্ষা নিয়েছেন, তারা ইতিহাস গড়েছেন।
মানবজীবনের সবচেয়ে উত্তম ও শ্রেষ্ঠ সময় হলো যুবকাল। জীবনকে উপলব্ধি করার, ভোগ করার, সৃজনশীলতা স্থাপন করার বা ধ্বংসশীল আচরণে মেতে উঠার এটাই সময়। জীবনের যৌবন পূর্ববর্তী অধ্যায় শিশুকাল আর যৌবনের
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে শুরু করে রাতের আধার ঘনিয়ে আসা পর্যন্ত নামাজ কায়েম কর আর প্রভাতে কোরআন পড়াকে গুরুত্ব প্রদান করো। প্রভাতে
যে সময় আমরা পার করছি, দিন দিন হত্যা, অপরাধ, খুনখারাবি ও বিবেকহীন মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এটি কিয়ামতের আলামত। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘শপথ সেই মহান সত্তার! যার হাতে আমার প্রাণ।
সাধারণত সমাজের ধার্মিক মানুষ মারা গেলে তাঁর নামের শেষে ‘রহমাতুল্লাহি আলাইহি’ লেখা হয়। শরিয়তে মৃত ব্যক্তির নামের শেষে রহমাতুল্লাহি আলাইহি লেখার বিধান কী? উত্তর : শরিয়তের বিধান অনুযায়ী সব মৃত
ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। এটি প্রকৃত মুমিনদের বৈশিষ্ট্য। মহান আল্লাহ ক্ষমাশীলদের ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর যারা মানুষকে ক্ষমা করে আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত :
পবিত্র মক্কা শহরে অবস্থিত আল্লাহর ঘর বায়তুল্লাহ শরিফের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে মাতাফ থেকে দেড় মিটার উঁচুতে প্রতিস্থাপিত, ৮ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ৭ ইঞ্চি প্রস্থের হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর। হাদিসের বর্ণনায়
হজরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত। নবী সা: বলেন, যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের পার্থিব কষ্টসমূহের মধ্যে থেকে একটি কষ্ট দূর করে দেয়, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার একটি বড় কষ্ট দূর
পার্থিব জীবনের নানা সীমাবদ্ধতা, এর অসম্পূর্ণতা ও ক্ষণস্থায়ীত্বকে বিবেচনা করলে যেকোনো বিবেকবান, সুস্থ ও স্বচ্ছ চিন্তার অধিকারী মানুষ সহজেই উপলব্ধি করতে পারে যে, আখিরাতের জীবন শুধু সম্ভবই নয় বরং অপরিহার্য।
সিরাত তথা রাসুল (সা.)-এর জীবনীগ্রন্থগুলোর অলিগলি পরিভ্রমণ করলে দেখা যায়, সাহাবায়ে কেরাম রাসুল (সা.)-এর জন্য কতটা নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। ইতিহাসে এর ঢের উদাহরণ রয়েছে। মানুষ ছাড়াও অন্য সৃষ্টিকুল রাসুল (সা.)-কে ভালোবেসেছে।