সাহাবি শব্দের অর্থ হলো সঙ্গী বা সাথী। আর ইসলামী পরিভাষায় সাহাবি বলা হয় যারা ঈমানের হালতে জীবদ্দশায় স্বীয় চোখে রাসূল সা:কে দেখেছে এবং ঈমানের হালতেই মৃত্যুবরণ করেছে। সাহাবিদের মার্যাদা অপরিসীম।
পরিবারের প্রতিটি সদস্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ছোট হোক কিংবা বড়, সুস্থ হোক কিংবা অসুস্থ, সচ্ছল হোক কিংবা অসচ্ছল, পরিবারে সবারই সমান অধিকার রয়েছে। পরিবারের কেউ আর্থিক কিংবা শারীরিকভাবে দুর্বল হলে তাকে
রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পুরো জীবন উম্মতের মুক্তির পথ দেখিয়েছে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাতি, ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, সম্প্রদায়, দেশ-কাল নির্বিশেষে সবার জন্যই প্রেরিত সর্বশ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ। একজন আদর্শবান
মানুষের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে কোরআনে বেশ কয়েকটি আয়াত এসেছে। এক আয়াতের বক্তব্য এমন : ‘আমি (আল্লাহ) গন্ধযুক্ত কাদা থেকে তৈরি শুষ্ক ঠনঠনে মাটি থেকে মানুষকে সৃষ্টি করেছি।’ (সুরা : হিজর, আয়াত
পৃথিবীর ইতিহাসে অনুপম দুটি নাম- একটি হল ইয়াহইয়া আর অপরটি মুহাম্মাদ। ইয়াহইয়া সম্পর্কে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, হে জাকারিয়্যা! আমি তোমাকে এক পুত্রের সুসংবাদ দিচ্ছি তার নাম হবে ইয়াহইয়া, এ নামে
মুসলিম শিশুরা ইসলামী আদর্শ ও ধর্মীয় চেতনা ধারণ করে বড় হবে এটাই স্বাভাবিক। ধর্মীয় মূল্যবোধের এই বীজ তার হৃদয়পটে গেঁথে দিতে হবে শিশুকালেই। এখানে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ নীতিবাক্য বর্ণনা করা
সুন্নাত মানে আদর্শ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর সুমহান আদর্শই সুন্নাত নামে পরিচিত। তিনি সর্বকালের সব মানুষের সর্বোত্তম আদর্শ। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘অবশ্যই আপনি মহান চরিত্রে সর্বোচ্চ পর্যায়ে অধিষ্ঠিত।’ (সুরা-৬৮ কলম,
রাসূল সা:-এর জন্ম নিঃসন্দেহে বিশ্ববাসীর জন্য মহা আনন্দের বিষয়। হাজার হাজার বছর ধরে নবী-রাসূলগণ ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন এবং বিশ্বাসী মানুষরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেছেন তাঁর আগমনের। নবী মুহাম্মদ সা: হলেন জগৎসমূহের
গোনাহ মোচনের জন্য সালাতুত তাওবা অত্যন্ত কার্যকরী একটি আমল। হজরত আবু বকর (রা.) বলেন, আমি রাসূল (সা.)কে বলতে শুনেছি- যখন কেউ গোনাহ করার পর সুন্দরভাবে ওজু করে (জায়নামাজে) দাঁড়িয়ে যায়
প্রত্যেক মানুষ সমাজে শান্তিতে বসবাস করতে চায়। সমাজ অপরাধমুক্ত থাকুক, এটা সবাই কামনা করে। তবু কিছু মানুষ অন্যের অধিকার খর্ব করে অপরাধ করে, সামাজিক শান্তি নষ্ট করে। তাই ইসলামী বিধান