প্রিয় নবীর প্রিয় রং : রাসুল (সা.)-এর প্রিয় রং ছিল সাদা। তিনি সাদা রঙের পোশাক ব্যবহার করা পছন্দ করতেন। ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমরা
নবীজী সা:-এর সম্মান মর্যাদা রক্ষা করা মুসলমানদের ঈমানের মৌলিক অংশ। সাহাবায়ে কেরাম থেকে আরম্ভ করে আজ পর্যন্ত মুজতাহিদ আলেমগণ সবাই একমত যে, নবীজী সা:-এর শানে কটূক্তিকারীকে আখেরাতে কঠিন আজাবের সম্মুখীন
বান্দার জন্য যে সময় বা যা কিছু দরকার, সে সময় ও তা-ই দিয়ে থাকেন মহান স্রষ্টা বান্দার কল্যাণের জন্য। আল্লাহতায়ালা সূরা ফুরকানের ৬২নং আয়াতে উল্লেখ করেছেন- ‘আর তিনি এমন সত্তা,
সব নবীর শিক্ষা ও জ্ঞান নিয়ে মহানবী (সা.) পৃথিবীতে আগমন করেছেন। তাঁকে বিশ্ব মানবতার উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। তিনি যেমন আরবের নবী, তেমনি আমেরিকার নবী, তেমনি আফ্রিকার নবী, তেমনি বাংলাদেশের নবী,
‘ইকরা’ (পড়)! মহাবিশ্বের মহান স্রষ্টা তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ ফেরেশতা জিবরাইল আমিনের মাধ্যমে বিশ্বের সর্বোত্তম মানুষ হজরত মুহাম্মাদ সা:-এর কাছে সর্বপ্রথম এই শব্দের মাধ্যমেই মানবতার মুক্তির যুগান্তকারী গ্রন্থের শুভ উদ্বোধন করেন। ৬১০
ইসলাম একটি ভারসাম্যপূর্ণ ধর্ম। অতি বাড়াবাড়ি, অতি ছাড়াছাড়ি উভয়টিকেই ইসলাম অপছন্দ করে। ইসলাম প্রতিটি মানুষের প্রতিটি মৌলিক অধিকারগুলোকে যথাযথভাবে পূরণ করার যেমন নির্দেশনা দেয়, ঠিক তেমনি প্রয়োজনের অধিক ব্যবহারের প্রতি
কঠিন কিয়ামতের ময়দানে মানুষ যখন সুপারিশের জন্য নবীদের কাছে যাবেন তখন তাঁরা একে অপরের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। কেউ তখন সুপারিশ করতে সম্মতি প্রকাশ করবেন না। কঠিন সেই মুহূর্তে আমাদের প্রিয়
মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যদি তোমাদেরকে কেউ দোয়া করে তাহলে তোমরাও তাদের জন্য দোয়া করো; তার চেয়ে উত্তম দোয়া বা তার মতোই। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব বিষয়ের হিসাব গ্রহণকারী’ (সূরা নিসা
রহমাতুল্লিল আলামিন, সাইয়্যেদুল কাউনাইন মুহাম্মদ (সা.)। তাঁকে সৃষ্টি না করলে এই সুন্দর পৃথিবী সৃষ্টি করা হতো না। এই চাঁদ, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র কিছুই সৃষ্টি করা হতো না। তিনি সব জাহানের
আবু মুসা আশয়ারি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আল্লাহর বান্দা যখন অসুস্থ হয় বা সফর করে তখন সুস্থ ও নিজ অবস্থানে থাকাকালীন যে পরিমাণ আমল করত, সে পরিমাণ আমলের