দুপুরের কাঠফাটা রোদ্দুর। সূর্য যেন আজ আগুনের মূর্তি ধারণ করেছে। মরুভূমির বালুরাশির ওপর চলছে তার অবিরাম অগ্নিবর্ষণ। চোখ তুলে তাকাতে গেলে চোখ ধাঁধিয়ে যাবে। হাঁটতে গেলে পায়ে ফোসকা উঠবে। এমন
হেদায়েত তথা সুপথপ্রাপ্তি মূলত মহান রাব্বুল আলামিনের বিশেষ অনুগ্রহ। হেদায়েতের দিশা পেতে মোমিন মুসলিম ব্যক্তি প্রত্যেক দিনই সালাত ও সালাতের বাইরে পবিত্র কুরআনের ভাষায় বলে ‘আমাদের সরল সঠিক পথ প্রদর্শন
প্রভাব, প্রবৃত্তি ও আধিপত্য লাভের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে। নিজেকে প্রভাবশালী করে তুলতে কিছু মানুষ এতটাই নিচে নামে যে তাদের অনিষ্টের ভয়ে তাদের নিকটাত্মীয়রাও তাদের থেকে দূরে সরে
মানব সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকেই পারস্পরিক সাক্ষাতের সময় অভিবাদনের বিভিন্ন রীতিনীতি প্রচলিত। অভিবাদন জানানোর ক্ষেত্রে সম্প্রদায় ও জাতিভেদে নিজেদের আদর্শ ও অভিরুচি অনুযায়ী বিভিন্ন শব্দ ও রীতি ব্যবহার হয়ে থাকে। হিন্দুরা
বাদশাহ হারুন-উর-রশিদ ভারত, রোম, ইরাক ও আবিসিনিয়া থেকে চারজন বড় বড় ডাক্তার ডেকে এনে বলেন, আপনারা এমন চিকিৎসার কথা বলুন, যার ফলে মানুষ কখনো রোগাক্রান্ত হবে না। ডাক্তাররা সবাই চিন্তায়
আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে অন্য জুমা, এক রমজান থেকে অন্য রমজান তাদের মধ্যবর্তী গুনাহের কাফফারা (ক্ষতিপূরণ) যদি সে কবিরা গুনাহ
ইসলাম কাউকে ঘৃণা করতে শেখায় না, সবাইকে ভালোবাসতে শেখায়, অন্য ধর্মের অনুসারীরা তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করুক। তাতে ইসলাম বাধা দেয় না। কিন্তু অন্যধর্মের ধর্মীয় বা আনন্দ উৎসবে মুসলমানদের অংশগ্রহণ
আমরা অনেকেই উপুড় হয়ে ঘুমাতে পছন্দ করি। এটি অভ্যাসে পরিণত হওয়ায় উপুড় হয়ে না ঘুমালে অনেকের ঘুমই আসে না। কিন্তু এই অভ্যাসটা কিন্তু মোটেই ভালো নয়। সবচেয়ে বড় কথা হলো,
আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। আল্লাহ তোমাদের কার্যকলাপ ঠিকঠাক করে দেবেন এবং তোমাদের অপরাধসমূহ মাফ করে দেবেন। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের
প্রাণী জবাইয়ের বিষয়টি শস্যদানা উৎপাদন ও অন্য খাবার প্রস্তুতকরণের মতো স্বাভাবিক কোনো কারবার নয় যে তা নিজের ইচ্ছামতো সুবিধা অনুসারে করে নেবে। বরং এটি আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.) কর্তৃক