মা করোনা আক্রান্ত হলে তার সন্তানকে দুধ পান করাতে পারবে কিনা তা নিয়ে একটা দন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি ভারতের মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রণালয় একটি গাইডলাইন জারি করেছে। যেখানে করোনা আক্রান্ত
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ-পরবর্তী অনেকের ফুসফুসে জটিলতা দেখা দিতে পারে। এই রোগকে বলা হয় পোস্ট কোভিড পালমোনারি ফাইব্রোসিস। এ রোগে ফুসফুসের নরম অংশগুলো শক্ত হয়ে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ফলে ফুসফুসের বায়ুকুঠুরিগুলো ঠিকমতো
অনেকের হঠাৎ নাক দিয়ে রক্তপাত হতে পারে। তবে এতে ভয়ের কিছু নেই। কিছুক্ষণ নিয়ম মেনে নাক চেপে ধরে রাখলে সাধারণত রক্তপাত বন্ধ হয়ে যায়। নাক দিয়ে রক্তপাত কোনো রোগ নয়।
বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা গেছে, কভিডের বাড়াবাড়ির মূলে প্রায় ২৫ শতাংশ ক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবিটিসের হাত থাকে। তার ফলে অনেক রোগীই মারা যান। আর এই ব্যাপারটা দুশ্চিন্তার। কারণ, আমাদের দেশে ডায়াবেটিসের
করোনাভাইরাসের কারণে নাজেহাল গোটা বিশ্ব। এই পরিস্থিতিতে করোনার টিকা আবিষ্কারের লক্ষ্যে চেষ্টা চালাচ্ছে সবাই। তবে করোনার ভ্যাকসিন আগে বাজারে আনার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছে রাশিয়া। এমনটাই দাবি সে দেশের বিজ্ঞানীদের।
পশু কোরবানি, মাংস বণ্টন ও সংরক্ষণ নিয়ে করোনার সময়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. নুসরাত সুলতানা। লিখেছেন আতিফ আতাউর করোনার
আজ পবিত্র ঈদ উল আযহা বা কোরবানির ঈদ। মুসলমানরা মহান আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি করবেন। ঈদে কোরবানি নিয়ে অনেকেরই অনেক পরিকল্পনা থাকে। কোরবানির মাংস দিয়েই বাড়িতে তৈরি
অবরুদ্ধ বন্দিদশায় অদ্ভুত মন খারাপ; তা সত্ত্বেও অতিমারীর নানামুখী প্রভাবকে পাশ কাটিয়ে নিজেকে সুস্থ আর পরিপাটি রাখার চেষ্টায় নিরত ভুবনবাসী। সুখের কথা, এর মধ্যেই সৃষ্টি হয়েছে যাপনের নতুন ধারা। এই
কোভিড থেকে সেরে উঠেও রেহাই নেই। জার্মান চিকিৎসকেরা এক গবেষণা শেষে জানাচ্ছেন, সম্প্রতি সুস্থ হওয়া তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি রোগীর ক্ষেত্রে এমআরআইয়ের পরে হৃদযন্ত্রের পেশির সমস্যা ধরা পড়েছে। একটি জার্নালে প্রকাশিত পর্যবেক্ষণে
সারা বিশ্বের লাখ লাখ মানুষ এখন করোনার কবলে। বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণ কেড়েছে এই মারণ ভাইরাস। প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সারা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ১ কোটি