ব্যস্ত জীবনে শরীরকে সুস্থ রাখা যেন একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, ভোরবেলা ঘুম থেকে উঠে বাচ্চাকে স্কুলের জন্য তৈরী করা তারপর বাড়ির টুকটাক কাজ, তারপর টিফিন গুছিয়ে বর ও নিজে বেরিয়ে
ঘরে ও বাইরে এখন প্রচণ্ড গরম। এই গরমে শরীরে পানির চাহিদা পূরণে খেতে হবে পানীয় ও ঠাণ্ডা খাবার। গরমে শরীর ভালো রাখতে খেতে পারেন দই ও চিড়া। উচ্চরক্তচাপ ও কোলেস্টেরলের
ঈদুল আজহার প্রধান আকর্ষণ পশু কোরবানি করা। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য আমরা প্রতি বছরই পশু কোরবানি করে থাকি। পশু কোরবানির সময় সংক্রমণ রোধে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়।
করোনা যখন সারা বিশ্বের মানুষের ঘুম কেড়ে নিয়েছে, ঠিক তখনই সুখবর জানালেন গবেষকরা। তারা বের করে ফেলেছেন আয়ু বাড়ানোর ওষুধ। শুনতে আবাত লাগলেও এমনই যুগান্তকারী আবিষ্কারের সামনে দাঁড়িয়ে বিজ্ঞানীরা। গবেষণা
এই সময়ে পোশাকে থাকা চাই আরাম। যে কারণে হয়তো ঘুরেফিরে গায়ে উঠছে পাতলা শার্ট বা টি-শার্ট আর নরম কাপড়ের কোনো প্যান্ট। তরুণদের বেলায় আরামের পোশাকের সঙ্গে একটু ফ্যাশনও যোগ হতে
ফল বেশি পুষ্টিকর না ফলের রস? এ তর্ক চলবেই। এক্সারসাইজ বা খেলার সময় চটজলদি অতিরিক্ত এনার্জি পেতে ফলের রস খাওয়া যেতেই পারে। তবে চিকিত্সক বা ডায়েটিশিয়ানরা বলেন স্বাস্থ্যগুণ বজায় রাখতে
সারা বছর চুলের যত্ন নিতে কত কিছুই না করতে হয়। শ্যাম্পু, কন্ডিশনিং, স্পাসহ আরও অনেক কিছু। তবু চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। চুল পড়া ঠেকাতে অনেক কিছুই ব্যবহার করছেন। এমনকি
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে বাইরে গেলে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। কেউ কেউ আবার ফেস শিল্ড বা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের মুখাবরণ পরছেন। অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, শুধু মাস্ক পরলেই হবে, নাকি ফেস শিল্ডও ব্যবহার
বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে করোনাভাইরাস মহামারি। আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ। তবে আশার কথা করোনা সংক্রমণের ফলে মৃত্যুর হার বেশি নয়। তবু সংক্রমিত হচ্ছেন যাঁরা, তাদের মধ্যে যাদের
বর্তমানে দেশের এমন পরিস্থিতিতে মানুষের শারীরিক সুস্থতা সবচেয়ে জরুরি। তাই শুধুমাত্র করোনাভাইরাস নয়, যেকোন ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য রোগ প্রতিরোধমূলক খাবার গ্রহণ করতে হবে। যেসব খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় সেগুলো