দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। প্রথম ঢেউ সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হলেও ভয়ংকর এই দ্বিতীয় ঢেউয়ের থাবায় আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও অর্থনীতির চাকা কোন পথে মোড় নেবে, তা এ মুহূর্তে
করোনার কারণে দেশে প্রায় ১৪ মাস ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরাসরি পাঠদান বন্ধ রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে অনলাইনে ও দূরশিক্ষণ পদ্ধতির পাঠদান চলছে। স্কুল-কলেজে অভ্যন্তরীণ কিছু পরীক্ষাও নেওয়া হচ্ছে অনলাইনে।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণে রোগীর উপসর্গ ও শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমরা রোগীকে চার ভাগে ভাগ করতে পারি : ১. উপসর্গবিহীন করোনা পজিটিভ রোগী, যাদের কোনো ধরনের ওষুধ লাগবে না। তারা শুধু আইসোলেশনে
ইফতারে পেঁয়াজু ছাড়া কি চলে! ছোট-বড় সবাই পেঁয়াজু পছন্দ করে থাকেন। তবে সময়ের অভাবে অনেক সময়ই পেঁয়াজু তৈরি করা ঝামেলার মনে হয়ে থাকে। বিশেষ করে ডাল বাটা অনেকের কাছেই ঝামেলার
বাতাসেও এখন করোনার জীবাণু। প্রাণভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার সময়ও বুঝি ফুরিয়ে এসেছে! সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা গেছে, বাতাসে করোনাভাইরাস সক্রিয় থাকার প্রমাণ মিলেছে। এ কারণেই করোনা সংক্রমণের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। করোনাভাইরাস
করোনায় একের পর এক মৃত্যু এবং সংক্রমণের ঘটনা শুনে দেশবাসী এখন আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। সামান্য সর্দি-কাশি কিংবা ক্লান্তবোধ অনুভব করলেই কোভিড-১৯ হয়েছে ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন। মৃত্যু সন্নিকটে ভেবে
শীত শেষ হয়েছে। গরমের আঁচে বিরক্ত সবাই। বাসা-বাড়ি থেকে অফিস বা ব্যক্তিগত কাজের জন্য বাইরে বের হলে সূর্যের তাপে শরীর পুড়ে যাচ্ছে। ত্বকে জ্বালা-পোড়াভাব আর একদমই সহ্য হচ্ছে না। ভয়ের
সারাদিন রোজা থাকার পর সন্ধ্যায় ইফতারে ভাজা-পোড়াসহ অন্যান্য খাবারের কমতি থাকে না। কোনটা ভালো আর কোনটা ক্ষতিকর এতসব না ভেবে চিন্তে খাওয়া হয় আমাদের। এতে দেখা যায় দাঁতের উপর হালকা
ফুসফুস মানব শরীরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে অন্যতম। করোনায় অনেকেরই ফুসফুস অকেজো হয়ে প্রাণহানিও ঘটছে। তাই ফুসফুস নিয়ে সচেতেন হওয়া উচিত সবার।এছাড়া বায়ুদূষণের কারণেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে ফুসফুসে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা
পটা ছোলা একটি ডালজাতীয় খাদ্যশস্য। এটি কার্ডিওভাসকুলার পুষ্টিতে ঠাসা। এটি ফাইবার এবং সিয়ামেও পূর্ণ। এটি আমিষের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস।শুধু তাই নয় ছোলা ভিটামিন ও প্রোটিন সমৃদ্ধ যা আমাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা