বাগান করা অনেকেরই শখ। কারও সবজির বাগান; কারও বা ফুলের বাগান। ফলের বাগানও করেন কেউ কেউ। বাগান সেটি যে গাছেরই হোক, ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় দেখা দেয়। প্রকৃত ফলনে বাধার সৃষ্টি করে।
শীত কিংবা গরম সবসময়ই নাকের ডগায় জেগে ওঠে কালো ছোট ছোট স্পট। যা চেহারার ওপর মোটেও ভাল প্রভাব ফেলে না। এতে দেখতে খারাপ লাগে আর সেই সাথে এটিকে পুরোপুরি সরানোটাও
প্রকৃতিতে হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। এদিকে করোনা সংক্রমণও বাড়ছে। এ সময় কিছু সবজি ও ফল শরীর- মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। যদিও এখন সবরকম সবজি ও ফল প্রায় সারাবছরই
কলাগাছের সম্পূর্ণটাই কাজে লাগে। পাতা, কান্ড, মোচা সবটাই। রোজকার জীবনে কলাপাতার অপরিহার্য ভুমিকা কতটা তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা করা কিছু নেই। কলাগাছের উপকারিতা বলে শেষ করা যাবে না। কিন্তু
এই শীতে চাই বাড়তি যত্ন। ত্বককে সুন্দর তরতাজা আর উজ্জ্বল রাখতে হলে অতিরিক্ত সূর্যরশ্মি অর্থাৎ অতিবেগুনি রশ্মি এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে ত্বক বুড়িয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে একটি ছাতা বা
আপেল পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ একটি ফল। কথায় আছে, এই ফলে এতটাই পুষ্টি গুণ আছে যে নিয়মিত আপেল খেলে চিকিৎসকের প্রয়োজন হবে না। বাজারে দুরকমের আপেল পাওয়া যায়। সবুজ ও লাল।
সুস্বাদু ও পুষ্টির জন্য গোটা বিশ্বেই টমেটো সমাদৃত। এছাড়া টমেটোতে থাকা ভিটামিন এবিসিকে, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, লাইকোপিন, ক্রোমিয়াম পুষ্টি উপাদান দেহের জন্য প্রয়োজনীয়— দেখে নিন, টমেটোর উপকারিতা; ক্যানসার দূরে রাখে কয়েকটি
শীতে পা-দুটিকে সুন্দর রাখতে চাই একটু বাড়তি যত্ন। এ সময় বাইরে অনেক ধুলাবালি থাকে তাই বাইরে থেকে ফেরার পর কুসুম গরম পানিতে লেবুর রস ও এক চিমটি লবণ মিশিয়ে ১০
মাইগ্রেনের ব্যথায় জীবন অতিষ্ঠ হয়ার জোগাড় এমন ভুক্তভোগী ছড়িয়ে রয়েছেন আমাদের আশেপাশেই। দিনভর মাইগ্রেনের ব্যথায় মাথা ঘুরছে, গা বমি বমি ভাব হয়াও অস্বাভাবিক নয়। অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চার অভাব, গ্যাজেট নির্ভর
একজন মানুষের সুস্বাস্থ্য অনেকটাই পরিবারের ওপর নির্ভর করে। পরিবারের প্রত্যেক সদস্যের খাবারের রুচি এবং ধরণ আলাদা হয়ে থাকে। কেউ অতিরিক্ত মিষ্টি, লবণ, তেল বা চর্বি জাতীয় খাবার বেশি পছন্দ করে।