শীতের আগমন মানেই রুক্ষ ত্বক। ফাটা ঠোঁট, মুষড়ে পড়া বিবর্ণ ত্বক থেকে শুরু করে নানা ধরণের সমস্যা। ঠান্ডার ভয়ে আমরা অনেক সময়েই গরম পানিতে স্নান করি। শুধু তাই নয়, অনেকেই
শরীরের নানা সমস্যার সমাধান দিতে পারে যোগাসন। বিশ্বব্যাপী তাই যোগব্যায়ামের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তারকারাও নিয়মিত যোগের সঙ্গে যোগ বাড়াচ্ছেন। যোগব্যায়ামের একটি আসন দিয়ে একাধিক সমস্যার সমাধান করা সম্ভব সহজে। তাই প্রতিদিন
যে কোনো উৎসব অনুষ্ঠানে নারীরা সাধারণত ট্র্যাডিশনাল ড্রেস পরতে পছন্দ করেন। আর শাড়ি, চুড়িদার, সালোয়ার কামিজের সঙ্গে ম্যাচিং করে ভারী কানের দুল পরতেও পছন্দ করেন। তবে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও অনেকে
শীতে মৌসুমে অনেকে পানি কম পান করেন। ফলে শরীর শুষ্ক হয়ে যায়। কিন্তু শরীরকে তো হাইড্রেট রাখা জরুরি। শরীরকে হাইড্রেট না রাখলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, দেহের তাপমাত্রা ইত্যাদির ওপর প্রভাব
গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা কম বেশি প্রায় সকলের হয়ে থাকে। স্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়া, খাওয়া-দাওয়ায় অনিয়ম সহ বিভিন্ন কারণে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম না করলে,
কৈশোর বলতে সাধারণত বয়ঃসন্ধিকালের সময়টাকে ধরা হয়ে থাকে। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সই টিনএজ কৈশোর বলা হয়। এটা এমন একটা বয়স, যেখানে ছেলেমেয়েরা শারীরিক, মানসিক এবং নৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে
শীতের হালকা আমেজ এসে গেছে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই। হঠাৎ করেই দিনের সর্বনিম্ম তাপমাত্রা কমে গেছে। অথচ সূর্যের তেজে দিনের বেলায় বেশ গরম। ঋতু বদলের এই সময়তে জ্বর, সর্দি-কাশি লেগেই থাকে।
প্রত্যেকটি নারীর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা মুহূর্ত। গর্ভধারণের প্রথম সময়টায় নারীদের শরীরে নানা উপসর্গ দেখা দেয়। গর্ভধারণের লক্ষণ সবার ক্ষেত্রে সমান হয় না। গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভাবস্থায় প্রথম
সব মা-বাবাই চান তাদের সন্তান হৃষ্টপুষ্ট থাকুক, হোক লম্বা আর শক্তিশালী। কারণ এসবই সুস্বাস্থ্যের লক্ষণ। শিশু সঠিকভাবে বাড়ছে কি না সেদিকে নজর রাখতে হবে মা-বাবাকেই। মা-বাবার তুলনায় যদি সন্তানের বৃদ্ধির
কর্মক্ষেত্রের নেতিবাচক মনোভাব একদিকে যেমন কর্মপরিবেশ নষ্ট করে, অন্যদিকে কর্মীদের কাজের আগ্রহও কমিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে অফিসের কর্তাব্যক্তিদের কিছু পদক্ষেপ আয়ত্তে রাখতে পারে এসব নেতিবাচকতা। অফিসের সব কর্মীকেই সমান গুরুত্ব