আগের ২৪ ঘণ্টার তুলনায় দেশে করোনাভাইরাসে নতুন রোগী কমলেও মৃত্যু বেড়েছে। গতকাল শুক্রবার সকাল আটটা থেকে আজ শনিবার সকাল আটটা পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমিত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ওই ২৪ ঘণ্টায়
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৪০টি শয্যা। শনিবার দুপুর পর্যন্ত রোগী ভর্তি ছিলেন ১৪ জন। বাকি শয্যাগুলো ফাঁকা। ভর্তি থাকা রোগীর স্বজনদের ভিড় ইউনিটের পাশে জরুরি বিভাগের সামনে।
বিশ্বব্যাপী মরণব্যাধিগুলোর মধ্যে স্ট্রোক অন্যতম। বাংলাদেশেও এটি মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগগুলোর তালিকায় রয়েছে। তাই একে প্রতিরোধের জন্য এর উপসর্গ সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা রাখতে হবে। তবে আশার কথা হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে
ইংরেজিতে একটা প্রবাদ আছে, ‘ইয়োর মাউথ: আ গেটওয়ে টু ইয়োর বডি হেলথ’, অর্থাৎ মুখই স্বাস্থ্যের প্রবেশদ্বার। আমরা যা কিছু খাই, তা-ই আমাদের পাকস্থলীতে যায়। সুতরাং মুখ ও দাঁতের সুস্থতার ওপরই
শুক্রবার সকাল ৬টা থেকে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত তারা মারা যান বলে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী জানান। তিনি বলেন, “এর মধ্যে চারজন করোনাভাইরাস পজেটিভ ছিল। আর বাকিরা উপসর্গ নিয়ে
মোংলায় দ্রুত গতিতে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়া স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তার লক্ষে মাঠে নামছে উপকূলরক্ষী বাহিনী কোস্টগার্ড। শনিবার সকাল থেকেই মাঠে থাকবে তারা। শুক্রবার রাতে মুঠোফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে কোস্টগার্ড
বরিশালের উজিরপুরে দিন দিন করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার সাতলার হালিম হাওলাদার (৫০) করোনায় আক্রান্ত হয়ে শুক্রবার সকালে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত উপজেলায় মৃত্যুর সংখ্যা ৯
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার (৪ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ
খাদ্য সহায়তা পেলো পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চান্দুপাড়া বেড়িবাঁধের উপর আশ্রয় নেয়া পরিবারগুলো। বৃহস্পতিবার বিকালে লালুয়া ইউনিয়নে কোডেক কার্যালয়ের সামনে উন্নয়ন সংস্থা কোডেক এ খাদ্য সহায়তা প্রদান করে। গত আটদিন ধরে রাবনাবাদ
আমরা সবাই জানি, ব্ল্যাক ফ্যাঙ্গাস সংক্রমণের বিষয়টি সামনে এসেছে মূলত ভারতে করোনা রোগীরা এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই। কারণ, করোনা রোগী বৃদ্ধির ফলে এ রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বেড়ে