জুলাই মাস থেকে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ করছে বলে দাবি করেছে চীন। গত শনিবার বিষয়টি নিয়ে প্রথম মুখ খোলেন বেইজিংয়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। জরুরি ব্যবহারের জন্য ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন
বিশ্বে প্রথম করোনা আক্রান্তের সন্ধান মেলে চীনের উহানে। কিন্তু তার পর মাস খানেকের মধ্যেই দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও থমকে যায়। কিন্তু কীভাবে করোনা পরিস্থিতি
বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার কমছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দেওয়া তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। এর উল্টো চিত্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয়। সেখানে সংক্রমণের হার এখনো বাড়ছে। খবর গার্ডিয়ান
রাশিয়াকেও ছাপিয়ে গেল চীন। চীনা সংস্থা সিনোফার্মের তৈরি করোনা ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে এখনও। মানবদেহে ব্যবহারের অনুমতি মেলেনি। ছাড়পত্রের তোয়াক্কা না করেই টিকার ব্যবহারিক প্রয়োগ শুরু করেছে চীন। প্রশ্ন ওঠায়
ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৮৪৮ জন মারা গেছেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ রোগে মারা গেছেন ৫৮ হাজার ৩৯০ জন। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এনডিটিভি এ তথ্য জানায়।
করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট ৩ হাজার ৯৮৩ জন কোভিড রোগী মারা গেলেন। এই সময়ে ২ হাজার ৪৮৫ জন শনাক্ত হয়েছেন।
এবার জরুরি প্রয়োজনে করোনার সম্ভাব্য ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে চীন। এর আগে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে করোনা ভ্যাকসিন অনুমোদন দেয় রাশিয়া। চীনের এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, দেশটির ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনা আইন
বিশ্বের প্রথম করোনার ভ্যাকসিন অনুমোদন দিয়েছে রাশিয়া। ‘স্পুটনিক-৫’ নামে ওই ভ্যাকসিনের পর এবার ‘এপিভ্যাককরোনা’ নামের আরেকটি ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে সাফল্য দাবি করেছে দেশটি। জানা গেছে, ‘এপিভ্যাককরোনা’ ভ্যাকসিনটি বানিয়েছে রাশিয়ার ভেক্টর স্টেট
চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি সেন্টারের প্রধান ঝেং ঝংইউ জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যকর্মী, সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ জরুরি ক্ষেত্রে কর্মরত লোকজনের অনেককেই কোভিড-১৯-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। ইমার্জেন্সি ইউজের জন্য সেই
ভারতে একদিনে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছে ৬১ হাজার ৪০৮ জন। এ নিয়ে মোট সংক্রমিত লোকের সংখ্যা ৩১ লাখ ছাড়িয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ২৩ লাখ ৩৮ হাজার ৩৫