মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি-রফতানির মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনা বাড়ছেই। বিশেষ করে পোশাক শিল্প রফতানির আড়ালে বছরে পাচার হয় প্রায় ৬৪ হাজার কোটি টাকা। এভাবে গত সাত বছরে
একমাস আগের তুলনায় আবার রেমিট্যান্স কমেছে। গেলো বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীরা ২০৫ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। সেই হিসাবে বছরের প্রথম মাসে রেমিট্যান্স ২ শ কোটি ডলারের নিচে নেমে
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ে সঞ্চয়পত্র থেকে সরকারের ঋণ ছিল ৫ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা। চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি
রোববারও (৩১ জানুয়ারি) সূচকের বড় পতন হয় পুঁজিবাজারে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, সোমবার ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স ৫০ পয়েন্ট কমে পাঁচ
দুঃসংবাদ দিয়ে নতুন বছর শুরু হচ্ছে বিটকয়েন বিনিয়োগকারীদের। নিরাপত্তা ঝুকি ও আইনী প্রতিবন্ধকতায় চাপের মুখে জনপ্রিয় এই ক্রিপ্টোকারেন্সি। ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নিং থেকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে বলেছেন, ‘সব (অর্থ) হারানোর
দেশে বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দ পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর এলসি খোলার সময় আবারও বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বাড়িয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। আগের নির্ধারিত সময়
দাম নিয়ন্ত্রণে চাহিদা ও সরবরাহের পরিবর্তে মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের প্রভাব, করোনায় উৎপাদনে সমস্যা ও হাতবদলের সময় অতিমুনাফার লোভে দেশে অস্থির নিত্যপণ্যের বাজার। প্রধান খাদ্যপণ্য চাল, ডাল, তেল, চিনি, আটা, ময়দা ইত্যাদি
বর্তমানে দেশে হ্যান্ডসেট সংযোজন কারখানাগুলোতে স্মার্টফোন চাহিদার প্রায় শতভাগ পূরণ হচ্ছে। আর ফিচার ফোনের চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ মেটাতে পারছে দেশি কারখানাগুলো। স্যামসাংসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় মোবাইল সংযোজন কারখানাগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা
চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (২০২০ সালের জুলাই-ডিসেম্বর) ৬৪৬ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। ঘাটতির এ অঙ্ক আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৭৫ কোটি ডলার কম। অর্থাৎ,
গত সপ্তাহজুড়ে দেশের শেয়ারবাজারে বড় দরতপন হয়েছে। এতে এক সপ্তাহেই ৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে মূলধন হারিয়েছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এর পাশাপাশি ডিএসইতে কমেছে সবকটি মূল্যসূচক।