দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) আজ লেনদেন চলছে সূচক ওঠা-নামার মধ্য দিয়ে। ডিএসই ও সিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র
ঋণখেলাপি হয়ে তিন দফা পুনঃ তফসিল হয়েছে, আবার পুনর্গঠন সুবিধাও নিয়েছে এমন গ্রাহকেরাও করোনাকালের প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ নিয়েছে। আবার ভালো গ্রাহক হিসেবে পরিচিতরাও রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংক থেকে কম সুদের এই
করোনাভাইরাসের প্রভাবে বেশির ভাগ ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবস্থাই খারাপ অবস্থানে চলে গেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় অনুযায়ী আয় হচ্ছে না। ঋণ আদায় কমে গেছে। আবার কমেছে আমানতের পরিমাণ। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের দায়দেনা
তিন মাস ইতিবাচক ধারায় লেনদেনের পর হঠাৎ অক্টোবর মাসে বিদেশি ও প্রবাসীদের অংশগ্রহণ কমেছে প্রায় অর্ধেক। দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য মতে, অক্টোবর মাসে প্রবাসী ও বিদেশি
সম্পদের তুলনায় খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছে শীর্ষ ১০ ব্যাংকের। এর মধ্যে পাঁচটি সরকারি ও পাঁটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে। ব্যাংক খাতে আলোচ্য ১০ ব্যাংকের সম্পদ রয়েছে সম্পদের ৪৪ শতাংশ। কিন্তু
বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড এইচঅ্যান্ডএমের ঢাকা কার্যালয় সপ্তাহে গড়ে সাড়ে আট শ কনটেইনার তৈরি পোশাক চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাঠায়। গত মাসের দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহে সুইডেনভিত্তিক এই ব্র্যান্ড
করযোগ্য আয় থাকলে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আয়কর দেওয়া নাগরিক দায়িত্ব। এ জন্য এনবিআরের কাছে আয়কর রিটার্ন (আয় ও সম্পদের তথ্য বিবরণী) জমা দিতে হয়। তবে একেক পেশার মানুষের করযোগ্য আয়
পাঁচ শর্তে বিদেশ থেকে কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ভ্যাকসিন কেনার জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থের পরিমাণ ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই টাকার মধ্যে শুধু ভ্যাকসিন
আর কয়েকদিন পরেই আসছে শীত। করোনায় লোকসান কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন কেরানীগঞ্জের গার্মেন্টপল্লীর ব্যবসায়ীরা। তাই শীত মৌসুমকে সামনে রেখে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে দেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার
দেশে প্রান্তিক পর্যায়ে ব্যাংকের উপস্থিতি কম। আবার নিম্ন আয়ের পেশাজীবীদের বড় অংশই ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থা (এমএফআই) বা স্থানীয় উৎস থেকে ঋণ নিয়ে চলে। তাই করোনাভাইরাসের কারণে ক্ষতির মুখে পড়া এই