চুপসে থাকা পিতা এখন রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে বললেন, স্বপন, তুমি কি মজা করছ? তুমি কী করে বলছ মাটির একটি মূর্তি খাবার খাবে আর আমাদের প্রশ্নের উত্তর দেবে? তোমার স্পর্ধা দেখে
আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে অগণিত নবী-রাসূল পাঠিয়েছেন। নবী-রাসূল পাঠানোর অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে এক আল্লাহর পথে ডাকা, কালেমার দাওয়াত দেয়া, তাওহিদের বাণী প্রচার করা, মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসা।
কোরআন এমন এক পবিত্র ও মহাগ্রন্থ যা নির্ভুল আসমানি জ্ঞানে সমৃদ্ধ। এর রচয়িতা হচ্ছেন এমন একজন মহা জ্ঞানী যিনি সব তথ্য, তত্ত্ব ও নির্ভুল জ্ঞানের অধিকারী। এ মহা গ্রন্থে কোনো
কোরআন বিশ্ব মানবতার জন্য এক অফুরন্ত নিয়ামত। পথহারা মানুষের পথনির্দেশক। সরল সঠিক পথের দিকে আহ্বানকারী কিতাব। এ কোরআন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর অবতীর্ণ করা হয়েছে। এতে শেখানো হয়েছে
৪০ বছর বয়স হচ্ছে মানুষের পূর্ণতা ও পরিপক্বতার বয়স। নবীরা এই বয়সেই ওহি লাভ করে থাকেন। রাসুল (সা.)-এর বয়স ৪০ হওয়ার পর তাঁর জীবনের দিগন্তে নবুয়তের নিদর্শন চমকাতে লাগল। এই
নওয়াব সিদ্দিক হাসান খান (রহ.) তাঁর তাফসিরে লিখেছেন, ‘বর্তমানে এমন একটি দল সৃষ্টি হয়েছে, যারা কোরআনের মনগড়া ব্যাখ্যা করে এবং পুনরাবৃত্তি হওয়া আয়াতগুলোকে কোরআনের অংশ মনে করে না। তাদের নিফরিয়্যা
গোটা সৃষ্টির মধ্যে মানুষই একমাত্র সৃষ্টি, যাকে আল্লাহ তায়ালা সুমহান মর্যাদার আসনে সমাসীন করেছেন। তাকে আশরাফুল মাখলুকাত তথা সৃষ্টির সেরা জীব বলে ঘোষণা করেছেন। এ মর্যাদা তিনি আর কাউকে দেননি।
আল্লাহর ওপর ঈমানের দৃষ্টান্ত হতে পারে চাঁদে পাঠানো একটি রকেটের মতো। রকেটের প্রতিটি কোণ এবং হিসাবকে নিখুঁত হতে হয়। পৃথিবী থেকে প্রেরণকৃত একটি রকেটের কোণে যদি মিলিমিটার পরিমাণ কোনো খুঁত
হতাশা বা মানসিক অবসাদ একটি নীরব ঘাতকের নাম। আধুনিক সভ্যতা আমাদের জীবনকে গতি দিয়েছে ঠিকই কিন্তু আমাদের আত্মার সব প্রশান্তিকে কেড়ে নিয়েছে। পৃথিবীজুড়ে মানসিক অবসাদগ্রস্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন আশঙ্কাজনক
কুরআন মাজিদ বিশ্ব জগতের মালিক আল্লাহ তায়ালার নাজিল করা সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ আসমানী গ্রন্থ। কুরআন মাজিদের বিষয়বস্তুর বৈচিত্র্য, অপূর্ব ধ্বনিব্যঞ্জনা, শব্দের লালিত্য, বর্ণনার বলিষ্ঠতা, প্রকাশভঙ্গির প্রাঞ্জলতা, রসবোধ ইত্যাদি গুণাবলি আরব