কোরবানি মুসলিম উম্মাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। এটি শাআইরে ইসলাম তথা ইসলামের প্রতীকী বিধানাবলির অন্যতম। রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিবছর কোরবানি করতেন। যাদের ওপর জাকাত ওয়াজিব, তাদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব। এতে গরিব-দুঃখী ও
কোরবানি ইসলামী শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। এটি আদায় করা সামর্থ্যবান সব মুসলিমের ওপর ওয়াজিব। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যে ব্যক্তি কোরবানি করে না, তার ব্যাপারে মহানবী হজরত মুহাম্মদ সা: ইরশাদ করেনÑ
পৃথিবীর সর্বত্র চলছে আর্তনাদ আর আহাজারি। জাতিসঙ্ঘ বলছে, করোনাভাইরাসে লকডাউনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বজুড়ে খাদ্য সঙ্কটের কারণে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। একটি সমীক্ষা বলছে, বিশ্বব্যাপী প্রায় ৮০ কোটি মানুষ ইতোমধ্যেই খাদ্য সঙ্কটে
যৌতুক একটি সামাজিক ব্যাধি। এটি সরকারি আইনে যেমন দণ্ডনীয়, তেমনি শরিয়তেও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। তবু আমরা সবাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এর সঙ্গে চরমভাবে জড়িত। পার্থক্য এতটুকু যে তাতে বিভিন্ন মৌসুমি খোলস
পাপীকে অবশ্যই পাপের শাস্তি ভোগ করতে হবে—এটা ন্যায়বিচারের দাবি। এ শাস্তি কারো ইহকালে, আবার কারো হবে পরকালে। পার্থিব জগতে কোন পাপের কী শাস্তি হয়, এ বিষয়ে নিম্নে আলোচনা করা হলো—
যাদের ওপর কোরবানি ওয়াজিব ঈদুল আজহার দিন প্রয়োজনীয় খরচ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা বা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা কিংবা সমপরিমাণ সম্পদ যার কাছে থাকবে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। কোরবানি
কুরআন মাজিদে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, ‘ওয়াল ফাজরি ওয়া লায়ালিন আশর ওয়াশ শাফয়ি ওয়াল বিতরি’ অর্থাৎ শপথ ফজরের, শপথ ১০ রাতের, শপথ জোড় ও বেজোড়ের। ব্যাখ্যা : জিলহজ মাসের প্রথম
‘কোরবানি’ একটি চিরন্তন ইবাদত। মানবজাতির পিতা হজরত আদম আ:-এর সময় থেকেই এই ইবাদতের শুরু হয়েছে। এরপর থেকে পৃথিবীতে আগমনকারী প্রত্যেক জাতির ওপরই আল্লাহর উদ্দেশ্যে এই প্রতীকী ভালোবাসারূপ উৎসর্গের প্রচলন ছিল
ইসলামী শরিয়তে কোরবানি গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। সামর্থ্যবান প্রত্যেক ঈমানদারের জন্য তা ওয়াজিব। ইসলামের এই মৌলিক ইবাদত পালনের আবশ্যকীয় বস্তু হলো শরিয়ত নির্ধারিত হালাল পশু। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে কোরবানির জন্য এ
যুক্তরাষ্ট্রের ‘হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভ’ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মুসলিমবিরোধী ‘ভ্রমণ আইনে’র বিপরীতে একটি আইন পাস করেছে, যাকে মার্কিন ইতিহাসে প্রথম ‘মুসলিম নাগরিক অধিকার আইন’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভ্রমণ