সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ। প্রাণী জগতের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাতে। বিবেক-বুদ্ধির জোরেই মানবজাতির এ শ্রেষ্ঠত্ব। আবার মানুষ যে দুর্বল ও অসহায়, তা আবারও প্রমাণিত হল। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ভাইরাস-করোনার দ্বারা গোটা মানব জাতির
পৃথিবীতে শুধু নবী-রাসুল (আ.) আল্লাহর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ লাভ করেছেন। আল্লাহর সঙ্গে তাঁদের কথোপকথন কখনো হয়েছে সরাসরি আবার কখনো হয়েছে ফেরেশতা ও ওহির মাধ্যমে। সেসব কথোপকথনে উঠে এসেছে আল্লাহর
করোনাভাইরাস সংক্রমণের ব্যাপ্তি নিয়ে সারা দুনিয়ার মানুষ এখন ভয়ানকভাবে উৎকণ্ঠিত। এ ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রাণপণ চেষ্টাও হচ্ছে। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য গবেষণা হচ্ছে। সে জন্য বিশ্ব সংস্থা সক্রিয়।
ঘরে নফল নামাজ আদায় করা আহমদ ইবনু সুলায়মান রহ:… যায়দ ইবনু সাবিত রা: থেকে বর্ণিত যে, নবী সা: মসজিদে একটি চাটাইকে হুজরার মতো বানিয়ে নিলেন। রাসূলুল্লাহ সা: তাতে কয়েক রাতে
শিরক নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর সাথে শরিক করাকে ক্ষমা করেন না। এছাড়া অন্যান্য অপরাধ যাকে ইচ্ছে ক্ষমা করেন। আর যে-ই আল্লাহর সাথে শরিক করে, সে এক মহাপাপ রটনা করে। (সূরা আন
আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগে কোরআন নাজিল হয়েছিল। সে কোরআন আজো অবিকৃত অবস্থায় আমাদের মাঝে বর্তমান রয়েছে। এ কোরআন অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করলে বিশ্ব মুসলমান আবার তাদের হারানো গৌরব
পৃথিবী এভাবে স্তব্ধ হয়ে যাবে কখনও কল্পনা করেছি? ঠিক এভাবেই একদিন আমার-আপনার জীবন ঘড়িটা থেমে যাবে। পৃথিবীর বুক থেকে হারিয়ে যাব আমরা। ঘুম থেকে উঠে চিরচেনা যে ঘরে পায়চারি করতাম,
আল্লাহতায়ালা মানবজাতিকে জ্ঞান অর্জনের বিশেষ যোগ্যতা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। এর মাধ্যমে মানুষ যেমন দুনিয়ার জীবনের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারে, তেমনি আখেরাতের জীবনেরও মুক্তি নিশ্চিত করতে পারে। মজার ব্যাপার হল, মানুষ
দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া ফরজ। এই নামাজ পড়তে হয় যৌথভাবে—জামাতের সঙ্গে। জামাতবদ্ধভাবে এবং কাতার সোজা করে নামাজ পড়ার নির্দেশ দেওয়ার কারণ হলো, যাতে মুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝে একতা তৈরি হয়।
হারাম উপার্জন মানুষের দুনিয়া আখিরাত ধ্বংস করে দেয়। এর পরও কিছু মানুষ এ কাজ করে থাকে। অনেকে চাকরি করার আগে সেখানে বৈধ বেতনের সঙ্গে অবৈধ কত টাকা উপার্জন করতে পারবে,