মুসলমানদের রয়েছে সোনালি অতীত। মুসলমানরা শ্রেষ্ঠ জাতি, বীরের জাতি, বিজয়ী জাতি। একসময় বিশ্বের বড় বড় সব পরাশক্তি মুসলমানদের কাছে পরাজিত হয়েছে। কিন্তু বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে দেখা যায়, মুসলিম উম্মাহ
হুটহাট কারো ঘরে ঢুুকে পড়া ঠিক নয়, সালাম-কালাম দিয়ে পরিচয় দিতে হয়। অনুমতি পেলে পরে যাবে কাছে তার, শৃঙ্খলাবোধ আনে জীবনে বাহার। মা-বোনের ঘর হোক পরিবার নিজ, অনুমতি নিয়ে হও
ইসলাম মানে শান্তি। শান্তির পথে আহ্বান হলো দাওয়াত। দাওয়াতের পদ্ধতিতে রয়েছে বিশেষ সুন্নাত, যা অনুসরণ করলে শান্তির আহ্বান সফল হবে, সমাজের সর্বস্তরে ইসলাম প্রতিষ্ঠা লাভ করবে। আল্লাহ তাআলা যেমন শরিয়তের
মানবজাতির চরিত্র গঠনে কোরআন অনুপম একটি গ্রন্থ। যে ব্যক্তি যথাযথভাবে কোরআন তিলাওয়াত করবে, তা নিয়ে চিন্তা-গবেষণা করবে এবং তা জীবনে বাস্তবায়ন করবে আল্লাহ তাকে সচ্চরিত্রের অধিকারী করবেন। বরং কোরআনই উত্তম
একসময় হয়তো নফসের তাড়না শেষ হয়ে যায় কিন্তু পাপ মানুষের সঙ্গে ওপারের জীবনেও সঙ্গী হয়। বিষ যেমন মানুষের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর তেমন পাপও অন্তরের জন্য ক্ষতিকর। আমাদের জীবনে দুনিয়া
পবিত্র কোরআন শান্তির শিক্ষা দেয়। এ কথা শতভাগ সত্য যে কোরআনের শিক্ষার ওপর আমল করলে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তাই পবিত্র কোরআনের অনিন্দ্য শিক্ষার প্রচার ও প্রসার একজন মুসলমান হিসেবে
প্রিয়নবী (সা.) ছিলেন গোটা পৃথিবীর জন্য রহমতস্বরূপ। মহান আল্লাহ তাঁকে রহমতস্বরূপ এই দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। তিনি সর্বদা সবার কল্যাণ চেয়েছেন। তাঁর ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে লাখো মানুষ ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছে।
বান্দার জন্য আল্লাহতায়ালার মহান অনুগ্রহ হালাল রিজিক। তিনি বান্দাকে বিভিন্ন উপায়ে রিজিক দিয়ে থাকেন। যারা আল্লাহর হুকুম ও নবীর তরিকায় জীবন পরিচালনা করে তাদের জন্য হালাল রিজিকের আলৌকিক দরজা খুলে
শুক্রবার সাপ্তাহিক গুরুত্বপূর্ণ দিন। দিনটি মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে নিয়ে আসে অফুরন্ত রহমত ও বরকত লাভের সুযোগ। আল্লাহ চান কোন সুযোগে বান্দাকে ক্ষমা করা যায়। আর বান্দাও চায় কোন সুযোগ কাজে
কিস্তিভিত্তিক ক্রয়-বিক্রয় পদ্ধতি : বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ কৃষিখামার ও শিল্প-কারখানার জন্য কাঁচামাল এবং হালকা ও ভারী যন্ত্রপাতি ক্রয় করে তা ওইসব কারখানায় বিক্রয় করে থাকে। এ ধরনের বিনিয়োগের শর্তাবলি হলোÑ ক.