আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতে খলিফা হিসেবে পাঠানোর জন্য মানব তৈরি করলেন। আর তার আগেই পৃথিবীকে সাজালেন মানব বসবাসের উপযোগী করে। মানুষের জীবনধারণের জন্য মাটি, পানি, অগ্নি, বায়ু এবং জড়-জীব, উদ্ভিদ, গুল্ম-লতা,
বর্তমানে যুবসমাজের চারিত্রিক অধঃপতন ঘটছে। তারা নানা ধরনের অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ সাংস্কৃতিক আগ্রাসন। সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার হয়ে যুবসমাজের চিন্তা, চেতনা ও মননে বিদেশী সংস্কৃতি প্রভাব স্থান
আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষকে সৃষ্টি করেছেন শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে। তাইতো মানুষের প্রতিটি কর্ম আল্লাহপাকের কাছে লিপিবদ্ধ অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। আল্লাহতায়ালার কাছে মানুষের প্রতিটি কর্মের জবাব দিতে হবে। এই বিষয়ে কারো
‘লানত’ বা অভিশাপ বলা হয় আল্লাহর রহমত ও করুণা থেকে দূরে সরে পড়াকে। কারো ওপর আল্লাহর অভিশাপ পতিত হলে সে কখনো আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারে না। যার পরিণাম ইহলৌকিক
কেউ উপকার করলে তাকে প্রতিদান দেওয়া রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আদর্শ ছিল। এ বিষয়ে ইমরান বিন হুসায়ন (রা.) থেকে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো এক সফরে আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে
শয়তানকে কেউ বন্ধু মনে করে না। এমন কি চোর-ডাকাত-বদমাইশরাও স্বার্থের হানি হলে একে অপরকে গালি দিয়ে বলে, শয়তানটা আমাকে ঠকিয়েছে। মানুষ তার কাজে-কর্মে-আচরণে অজ্ঞাতসারেই শয়তানের ভাই-বন্ধু হয়ে যায়। আজকে আমরা
প্রাচীন আরব ছিল কাব্যচর্চার উৎকৃষ্ট ভূমি। আরবেরা তাদের সেরা কবিতাগুলো কাবাঘরের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখত। ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর পরিবারেও কাব্যের চর্চা ছিল। নবীজির ওফাতের পর তাঁর আদরের কন্যা ফাতেমা
মানুষ আল্লাহতায়ালার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। সমগ্র মানুষকে সামাজিকভাবে একতাবদ্ধ করার জন্যই আল্লাহপাক যুগে যুগে অসংখ্য নবী রাসুল পাঠিয়েছেন। মানব জাতি হিসেবে কারো মাঝে কোন ভেদাভেদ নেই। সবাই এক আল্লাহর সৃষ্টি এবং
সুখময় দাম্পত্যজীবনে পূর্ণতা আনে সন্তান-সন্ততি। সন্তান ছাড়া দাম্পত্যজীবন শুধুই শূন্যতা ও হতাশা। এই সন্তান আল্লাহ তাআলার কত বড় নিয়ামত, তা শুধু নিঃসন্তান স্বামী-স্ত্রীই উপলব্ধি করতে পারে। মায়ের দীর্ঘ ১০ মাসের
পৃথিবীর মধ্যে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় ও পছন্দনীয় স্থান মসজিদ। যে মুমিন নামাজের স্বাদ পেয়েছে তার কাছে মনে হবে যেন দুনিয়ার সব সুখ মসজিদের জায়নামাজের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এটিই