ইসলামের প্রতিটি বিধানেই দুনিয়া ও আখিরাতের অসংখ্য কল্যাণ নিহিত আছে। ঈমানের আলোয় উদ্ভাসিত প্রতিটি হৃদয় সেসব কল্যাণ উপলব্ধি ও অবলোকন করে। মুমিনের জীবনে ঈমানের পর আবশ্যকীয় একটি বিধান হলো পাঁচ
কথাবার্তা দিয়ে একজন মানুষের ভালো-মন্দ যাচাই করা যায়। এরই মধ্যে ফুটে ওঠে তার ব্যক্তিত্ব ও স্বভাব। এই কথা মানুষকে যেমন জান্নাতে পৌঁছাতে সাহায্য করে, অনুরূপ জাহান্নামের পথেও নিয়ে যায়। একজন
মুসলমানদের কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় মানুষ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স)। বিশ্বের সর্বকালের সেরা মহামানব হিসেবে মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে প্রশ্নাতীতভাবে স্বীকৃত। এবার ইন্টারনেট জায়ান্ট ‘গুগল’ ডটকমের র্যাংকিংয়েও বিশ্বসেরা মানুষ হিসেবে তালিকায়
প্রতিদিনের পঠিত আমলগুলোর মধ্যে আল্লাহর নিকট পছন্দনীয় আমল হচ্ছে তাঁর প্রিয় রাসুলের ওপর দরুদ পাঠ করা। ফজিলতপূর্ণ এ দরুদ পাঠের আমল যেকোনো সময়ই করা যায়। তবে বিশেষ কিছু সময়ের ক্ষেত্রে
ইসলাম আল্লাহ-প্রদত্ত জীবনবিধান। সব নবী ও রসুল আল্লাহ-প্রদত্ত দীনের কথা প্রচার করেছেন। হজরত আদম (আ.) ছিলেন প্রথম নবী। মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শেষ নবী। তাঁর প্রচারিত জীবনবিধানকেই ইসলাম বলা
(গত সংখ্যার পর) আয়েশার এ বর্ণনাটিও বিবেচনা করা যেতে পারে : ‘আল্লাহর বাণীবাহক আবুবকরের গৃহে আসতেন দিনের শেষে, সকালে অথবা সন্ধ্যার সময় এবং এটাই তার অভ্যাস ছিল। যা হোক, যেদিন
এখন রাস্তায় বের হলেই রংবেরঙের হেলমেট চোখে পড়ে। বিশেষ করে যারা মোটরসাইকেল চালায় তাদের জন্য হেলমেট বাধ্যতামূলক। মূলত হেলমেট মাথার সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের শিরস্ত্রাণ। এটাকে মাথার বর্মবিশেষও বলা
একক ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে বেশি জীবনীগ্রন্থ লেখা হয়েছে কার, এ–বিষয়ক কোনো জরিপ কখনো হয়েছে কি? হলে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)–এর নাম ওপরেই থাকবে। গত দেড় হাজার বছরে দেশ–বর্ণ–ধর্মনির্বিশেষে অজস্র সাহিত্যিক,
আল্লাহতায়ালা মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন। দিয়েছেন তার মাঝে কিছু জৈবিক চাহিদা। সঙ্গে সঙ্গে সেসব চাহিদা পূরণ কিংবা নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন। আল্লাহতে বিশ্বাসী একজন মুসলিম মহান আল্লাহ ও তাঁর রসুল
বর্তমান পৃথিবীতে ইসলামসহ সব ধর্মের সম্মান সব দেশের সংবিধানে কমবেশি সংরক্ষিত রয়েছে এবং এক ধর্মের অনুসারীদের অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও অবমাননা না করার সৌজন্যমূলক ব্যবস্থাটি লালিত হয়ে আসছে