মানুষ সামাজিক জীব। আমরা সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করি। আমাদের চারপাশে নানা রকম, নানা শ্রেণীর, নানা বর্ণের ও নানা ধর্মের মানুষ বসবাস করে। ঘর থেকে বের হলেই বিভিন্ন মানুষের সাথে আমাদের
পুঁজিবাদের প্রধান দিক হচ্ছে সুদভিত্তিক বিনিয়োগ। অমুসলিম সমাজে এ প্রক্রিয়া বহুল প্রচলিত ও ব্যাপকভাবে বিকশিত। এ ধরনের লেনদেন প্রক্রিয়ায় দুটি জিনিসের উপস্থিতি লক্ষণীয়— এক. ঋণের জন্য পুঁজি সরবরাহকারী বা বিনিয়োগকারী।
জাহেলিয়াতের ঘুটঘুটে অন্ধকার থেকে মানুষকে চির আলোকিত পথ দেখিয়েছে হেরার আলোকময় গ্রন্থ আল কোরআন। ইতিহাস যাকে আইয়ামে জাহেলিয়া বা ঘোর অন্ধকারের সময় বলে উল্লেখ করেছে, যে সময়ের মানুষ সবচেয়ে বর্বর-নিষ্ঠুর
সুন্দর আচরণ সবারই অত্যন্ত আকাক্সক্ষার একটি বিষয়। কেউ চায় না যে অপর কোনো ব্যক্তি তার সাথে খারাপ আচরণ করুক। আর এমন সুন্দর আচরণের মধ্যে তো সেই বেশি উত্তম যার মনে
প্রায় সবার ঘরে ঘরেই কুরআন আছে। আলমারির তাকে, টেবিলের এক কোণে গিলাফবদ্ধ সাজানো কুরআন। মাঝে মধ্যে সেই কুরআন থেকে কিছু অংশ আমরা পাঠ করি, মুখস্ত আওড়াই, চুমু খাই, যতœ করে
মহানবী সা:-এর প্রথম স্ত্রী হলেন হজরত খাদিজা বিনতে খুয়াইলিদ রা:। ২৫ বছরের টগবগে যুবক বিয়ে করেন ৪০ বছরের মহিলাকে। হজরত খাদিজা রা: নবুয়তের দশম বছর তথা হিজরতের তিন বছর আগে
মহান রাব্বুল আলামীন মানব জাতিকে সৃষ্টি করেছেন সর্বোচ্চ সম্মান দিয়ে এবং সীমিত হায়াত দিয়ে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন, শুধু তাঁর ইবাদতের জন্য। দুনিয়াকে আখেরাতের সর্বোচ্চ সুখ ও শান্তিময় জান্নাত অর্জন করার
মানবকুলের মধ্যে সেরা ছিলেন আখেরি নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সর্বকালের সেরা মানব মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন পরশপাথরের মতো। যাঁর সংস্পর্শে এসে সাহাবিরা সোনার মানুষে পরিণত হয়েছিলেন।
ইসলামে এমন পোশাক পরিধান করা নিষিদ্ধ, যা পরিধান করা সত্ত্বেও দেহের অঙ্গ দৃশ্যমান থাকে। এ ধরনের পোশাক পরিধানের কারণে মানুষকে বস্ত্রাবৃত হওয়া সত্ত্বেও বিবস্ত্র দেখায়। হাদিস শরিফে এ ধরনের পোশাক
মানুষ সমাজবদ্ধভাবে বাস করে। প্রত্যেক সমাজ, জাতি ও সভ্যতার রীতিনীতি দেখে তার বৈশিষ্ট্য নিরূপণ করা যায়, যেমন—ইসলামী সম্ভাষণ : ‘আস-সালামু আলাইকুম’, একটি দোয়া, একটি শান্তি প্রস্তাব এবং প্রীতিময় উজ্জ্বলতার প্রমাণ।