মাজহাব অর্থ আদর্শ, মত, বিশ্বাস, মতবাদ ইত্যাদি। পৃথিবীতে বর্তমানে চারটি মাজহাব রয়েছে। তা হলো হানাফি, মালেকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি মাজহাব। হানাফি মাজহাবের প্রবর্তক ইমাম আবু হানিফা নুুমান ইবন সাবিত। তার
মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত। তার সম্মান ও মর্যাদাও সবার চেয়ে বেশি। এই মর্যাদা সমুন্নত রাখতে ইসলাম ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনে চারটি বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে। ১. ছোটরা বড়দের রুমে প্রবেশের আগে তিন সময়ে
দ্বীন শব্দের অর্থ জীবনব্যবস্থা, যার দু’টি অংশ। প্রথমটি ঈমানি দাওয়াতের চর্চা এবং দ্বিতীয়টি ঈমানভিত্তিক ইসলামচর্চা। দীর্ঘ দিন ধরে ইসলামের চর্চা হয়ে এলেও ঈমানি দাওয়াতের চর্চা হচ্ছে না। আজ পৃথিবীর বেশির
নবী-রাসুলরা মানবজাতির মহান শিক্ষক। মানবসভ্যতার সূচনা থেকে তার উন্নয়ন ও বিকাশে তাঁদের অবদান অসামান্য। মানবজাতির জন্য নবীদের আত্মত্যাগ, বিসর্জন ও অবদানের জন্য আল্লাহ ইহকাল ও পরকালে তাঁদের মর্যাদা সমুন্নত করেছেন।
চরিত্র মানব জীবনের সর্বোত্তম সম্পদ। তাই চরিত্রকে মানব মুকুটের সাথে তুলনা করা হয়। পৃথিবীতে সব মূল্যবান বস্তু কমবেশি অর্থের বিনিময়ে লাভ করা যায়। কিন্তু চরিত্র; কোনো বিনিময়েই লাভ করা যায়
আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তিনিই সেই সত্তা, যিনি সমুদ্রকে নিয়োজিত করেছেন, যাতে তোমরা তা থেকে তাজা (মাছের) গোশত খেতে পারো।’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ১৪) উক্ত আয়াতে ‘তাজা গোশত’
বিশ^নবী সা: ঘোষণা করেছেন, যে ব্যক্তি অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে তাদের দলভুক্ত বলে গণ্য হবে। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪০৩১) সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখা যাচ্ছে, কিছু বুদ্ধিজীবী বলছেন,
চলার পথে, কাজে-কর্মে অনেক মানুষের সঙ্গেই দেখা হয়। একজন মুসলিম হিসেবে অন্য মুসলিম ভাইয়ের সঙ্গে কিভাবে সাক্ষাৎ করতে হবে, তা-ও শিখিয়েছেন মানবতার মুক্তির দূত রাসুলুল্লাহ (সা.)। অনেকে পরিচিত মানুষের সঙ্গে
মহান আল্লাহর বিস্ময়কর সৃষ্টি বৃষ্টি, যা দৃষ্টিকে শীতল করে। মনের তুষ্টি ও মাটির পুষ্টিতে বৃষ্টির বড় ধরনের অবদান রয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, আর যারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য
এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার যে, তাওহিদের শিক্ষা না থাকলে মানুষ শিরক বিদ’আত ও হ্নকুসংস্কারের মাতো কাজে লিপ্ত হবে। ইসলামের নামে মানুষ এমন সব কাজ করবে যা হ্নআসলে ইসলামী কাজ নয়।