প্রতিদিন দু’চার কাপ চা পান করতে কে না ভালোবাসেন? শত ব্যস্ততার মাঝে, ক্লান্তিতে অথবা আলসেমিতে, গল্পে-আড্ডায়, বাড়িতে অতিথি আপ্যায়নে কিংবা অফিসের ব্যস্ততায় এবং সাধারণভাবে দিনের যে কোনো সময় চায়ের কাপে
করোনাভাইরাস ঠেকাতে হলে ঘরের বাইরে সবারই উচিত ফেসমাস্ক পরা, বলছে ব্রিটেনের জাতীয় বিজ্ঞানবিষয়ক একাডেমি। রয়াল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ভেঙ্কি রামাকৃষ্ণান বলছেন, কেউ, জনবহুল প্রকাশ্য স্থানে যখনই কেউ যাবেন তখনই তার
সারাবিশ্বে প্রতিদিনই উপসর্গ ছাড়াও অনেক করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে। এ রোগীদের হোম আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এসব রোগীর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি খাবারের প্রতি যত্নশীল
করোনাভাইরাস মহামারি ঠেকানোর অন্যতম কৌশল হিসেবে ‘হার্ড ইমিউনিটি’র ওপর যে জোর দেয়া হচ্ছিল, নতুন এক স্প্যানিশ গবেষণার কারণে এখন তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটে প্রকাশিত ওই গবেষণা
মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে টিকা আবিষ্কারের জন্য এখন ঘুম হারাম বিজ্ঞানী, গবেষক ও চিকিৎসকদের। প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে সারাবিশ্বে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া এখনও মানুষ
পুরোনো শাড়ি। অনেক দিন হয়তো পরাও হচ্ছে না। সেই শাড়ি দিয়েই বানিয়ে ফেলা যায় চলতি ধারার পোশাক। পুনর্ব্যবহার বা রিসাইকেলিং—এখন ফ্যাশনসচেতন মানুষের কাছে বেশ গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে। গুগল বা পিন্টারেস্টে
মহামারী করোনাভাইরাসের প্রতিদিন নতুন উপসর্গের দেখা মিলছে। আবার উপসর্গ নেই এমন রোগীর সংখ্যাও কিন্তু অনেক। উপসর্গহীন রোগীরা সবচেয়ে ক্ষতিকর। কারণ তারা নিজেরা জানে না যে, তারা করোনায় আক্রান্ত। এতে করে
ঠাণ্ডা, অ্যালার্জি ও দূষণের কারণে গলাব্যথা ও খুসখুসে কাশির সমস্যা হতে পারে। করোনার এই সময়ে ঠাণ্ডা, নাক বন্ধ, গলা খুসখুস, মাথাব্যথার সমস্যায় ভুগছেন অনেকে। গলা খুসখুস আসলে ভাইরাল বা ব্যাক্টেরিয়া
পেটে খিদে নিয়ে কেনাকাটা না করতেই পরামর্শ দেন সবাই। ওই সময় নিজের পছন্দ অপছন্দের ওপর নাকি নিজের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। কিন্তু সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় ধরা পড়ল ব্যাপারটা হেলাফেলা করার বিষয়
প্রায় সবাই এখন করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে রয়েছে। বিশেষ করে যারা পূর্ব থেকেই হৃদরোগ ও ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছেন তাদের অবস্থা সবচেয়ে বিপজ্জনক। মায়ো ক্লিনিক পালমোনোলজিস্ট এবং ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা.