করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি গেলে বাতাসের মাধ্যমে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকলেও পানির মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়ায় না বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পানিতে করোনার চেয়ে ভয়ঙ্কর জীবাণু থাকতে পারে। তাই
করোনা মোকাবেলায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। আবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পুষ্টিকর খাবার, নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন পদ্ধতি মেনে চলার পাশাপাশি নিয়মিত ব্যয়াম করাও প্রয়োজন। করোনা প্রতিরোধে মাস্ক পরা খুবই
করোনাভাইরাস সংক্রমণ হতে পারে পায়ের জুতা থেকেও। তাই ঘরে ফিরে জুতা জীবাণুমুক্ত করা জরুরি। জেনে নিন কীভাবে জুতা জীবাণুমুক্ত করবেন- ১. ঘরে ও বাইরে ব্যবহারের জন্য আলাদা জুতা রাখুন। এ
করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে ও করোনা পজিটিভ হলে বাড়িতে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে পারেন। শুধু অবস্থা গুরুতর হলে ও শ্বাসকষ্টের তীব্র সমস্যা হলে হাসপাতালে যেতে হবে। বাসায় চিকিৎসা
বাইরে প্রচণ্ড গরম। ঘরে-বাইরে সমানতালে কাজ করে শরীরে আসে ক্লান্তি। শরীরের ক্লান্তি দূর করতে পানি ও খাবারের বিকল্প নেই। এখন অতিরিক্ত গরমের কারণে শরীর সহজে ক্লান্ত হয়ে যায়। এনার্জি লেভেল
করোনা আক্রান্তের ক্ষেত্রে কোন ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে সে বিষয়ে মতামত দিয়েছেন ডা. মমিনুল ইসলাম। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত একজন ডাক্তার। হোম কোয়ারেন্টাইন থাকা অবস্থায় তিনি
জানুয়ারি থেকে শুরু। এক শহর থেকে আরেক শহর। এক দেশ থেকে আরেক দেশ। এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশ। বিশ্বজুড়ে এই কমাসে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছাড়া যেন আর কোনো আলোচনা নেই। কতজন
করোনাভাইরাসের এই মহামারির সময় শিশুদের মাস্ক পরা নিয়ে বাবা–মায়েরা বেশ ঝামেলায় পড়েছেন। শিশুরা সহজে মাস্ক পরতে চায় না। আবার পরলেও কিছুক্ষণ পর খুলে ফেলে, মাস্ক পরা অবস্থায়ই নাকে-মুখে হাত দেয়।
রান্না করার সময় একটু অসাবধানতার কারণে গরম তেলে বা চুলার আগুনে হাত পুড়ে যেতে পারে। এতে ভয় বা চিন্তার কিছু নেই। এসব পোড়ার চিকিৎসায় ঘরেই করা যায়। যা করবেন বেকিং
করোনাভাইরাসের সংক্রমণে অনেক রোগীরই ডায়রিয়া, বদহজম, বমি, অরুচি প্রভৃতি পরিপাকতন্ত্রজনিত উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। কাজেই খাবারের বিষয়ে সচেতন হতে হবে। অন্ত্রে বসবাসকারী উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকার সঙ্গে পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতার একটা যোগসূত্র আছে।